• রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভোটার এলাকা বদল ও নতুন নিবন্ধনের শেষ সময় ৩১ অক্টোবর ‘উদ্যোগ’ কর্মসূচিতে ৫৬ জেলায় আবেদন গ্রহণ শুরু ১ নভেম্বর রাশেদ খাঁনকে ‘পাল্টা জবাব’ দিলেন খালিদুজ্জামানের খুলনা ডিসি অফিসে অগ্নিকাণ্ড প্রতিবন্ধীদের দাবি বাস্তবায়নে কার্যকর উদ্যোগের আশ্বাস বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর ফসলি জমির মাটি চুরি ও খামার ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও থানায় মামলা কুড়িগ্রামে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত-৫ মাথাপিছু জিডিপিতে ভারতকে ছাড়াল বাংলাদেশ সৌদিগামী ১০৭ ফ্লাইট বাতিল, ভোগান্তিতে ১৬ হাজার যাত্রী শারদীয় দুর্গোৎসবে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও নিরাপত্তার আহ্বান রাষ্ট্রপতির
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

ফসলি জমির মাটি চুরি ও খামার ভাঙচুরের ঘটনায় জেলা প্রশাসক, ইউএনও ও থানায় মামলা

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২৬

Views: 0

নওগাঁ সদর মডেল থানা এলাকায় ক্রয়কৃত সম্পত্তি বেআইনিভাবে দখল, পাকা প্রাচীর ও ঘর ভাঙচুর এবং ফসলি জমির মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগে জেলা প্রশাসক (ডিসি), উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ এবং একই সাথে নওগাঁ সদর মডেল থানায় নিয়মিত মামলা রুজু করা হয়েছে। নওগাঁ সদর উপজেলার বোয়ালিয়ার বাসিন্দা ভুক্তভোগী মো: এনামুল হক বাদী হয়ে এই আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তবে মামলা দায়েরের পর বেশ কিছুদিন পার হলেও মূল অভিযুক্তরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে বলে বাদীর পরিবার অভিযোগ করেছে।-খবর সংবাদদাতা, নওগাঁ।

মামলার এজাহার ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নওগাঁ সদর মডেল থানাধীন একরকুড়ি মৌজার ক্রয়কৃত জমিতে বাদী দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে মাছের খামার, গরুর ফার্ম এবং মাসকালাইয়ের আবাদ করে আসছিলেন। কিন্তু পূর্ব শত্রুতার জেরে মো: জামান হোসেন (৪৮)-সহ একদল অভিযুক্ত ব্যক্তি গত ৩০ সেপ্টেম্বর দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে উক্ত সম্পত্তিতে অনধিকার প্রবেশ করে। তারা ২,০০,০০০/- (দুই লক্ষ) টাকা মূল্যের ইটের প্রাচীর ও খামারের ঘর ভাঙচুর করে। এছাড়াও খামারের পুকুর থেকে আনুমানিক ৩২,০০০/- টাকার মাছ এবং খামার থেকে ৫,০০,০০০/- (পাঁচ লক্ষ) টাকা মূল্যের জেনারেটর, লোহার গেট ও দরজা-জানালা লুট করে নিয়ে যায়।

অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তীতে গত ৯ অক্টোবর রাত থেকে পরদিন ১০ অক্টোবর ভোর পর্যন্ত অভিযুক্তরা ভেকু (Excavator) মেশিন দিয়ে জমির মাসকালাইয়ের আবাদ সম্পূর্ণ নষ্ট করে দেয়। এরপর প্রায় ৪০০ গাড়ি ফসলি জমির উর্বর মাটি কেটে নিয়ে একটি স্থানীয় ইটভাটায় আনুমানিক ৬,৮০,০০০/- টাকায় বেআইনিভাবে বিক্রি করে দেয়। সব মিলিয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের সর্বমোট ১২,১২,০০০/- (বারো লক্ষ বারো হাজার) টাকার মালামাল ও সম্পত্তির ক্ষতিসাধন করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী পরিবারটি জানায়, থানায় মামলা এবং প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর আসামিরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। অভিযুক্তরা প্রকাশ্য ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং মামলা তুলে নেওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি ও হুমকি প্রদর্শন করছে। ফলে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পুরো পরিবার। ভুক্তভোগীরা অবিলম্বে আসামিদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।

এসব অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে প্রধান অভিযুক্ত মো: জামান হোসেনের মুঠোফোনে (০১৭১৪-৪৪৬৩৪৯) যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “উক্ত জমির সাবেক মালিক জুয়েলের নিকট হতে আমার অনেক পাওনা টাকা আছে। সেই সূত্রে আমি আমার প্রাপ্ত টাকার বিনিময়ে উক্ত জমি হতে সেই পরিমাণ মাটি ও ইট নিয়ে এসেছি, এর বেশি কিছু করি নাই। আমার বিরুদ্ধে সম্পূর্ণ মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।”

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও নওগাঁ সদর মডেল থানার এসআই আব্দুল খালেক জানান, ভুক্তভোগীর লিখিত এজাহারের প্রেক্ষিতে থানায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। ফসলি জমি রক্ষা, পলাতক আসামিদের গ্রেফতার এবং ভুক্তভোগী পরিবারের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের তদন্ত ও আসামিদের গ্রেফতারের অভিযান জোরদারভাবে অব্যাহত রয়েছে।


এই বিভাগের আরও খবর