Views: 2

স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে নতুন ভোটার নিবন্ধন ও আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা বদলের সুযোগ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ দুই ধরনের আবেদন আগামী ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত করা যাবে। -খবর তোলপাড়।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) ইসি সচিবালয় থেকে এ বিষয়ে পৃথক নির্দেশনা জারি করা হয়েছে। নির্দেশনায় উপজেলা ও থানা নির্বাচন কর্মকর্তা এবং রেজিস্ট্রেশন কর্মকর্তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যক্রম সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি আঞ্চলিক ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যক্রম তদারকির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আবাসস্থল পরিবর্তনের কারণে ভোটার এলাকা পরিবর্তনের আবেদন জমা দেওয়ার শেষ সময় ৩১ অক্টোবর। এসব আবেদন ইস্যু করতে হবে ৩ নভেম্বরের মধ্যে এবং ভোটার স্থানান্তরের আবেদন নিষ্পত্তির শেষ সময় ৫ নভেম্বর।
এদিকে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রমের অংশ হিসেবে আগামী ৫ নভেম্বর খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তালিকায় কোনো ভুল বা অসঙ্গতি থাকলে দাবি, আপত্তি ও সংশোধনের আবেদন ২০ নভেম্বর পর্যন্ত করা যাবে। এসব আবেদন নিষ্পত্তির শেষ সময় ২৩ নভেম্বর।
আবেদনের বিষয়ে নেওয়া সিদ্ধান্ত ২৪ নভেম্বর ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এরপর ২৫ নভেম্বর হালনাগাদ চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন।
ইসির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ভোটার তালিকা আইন অনুযায়ী ভোটার হওয়ার যোগ্যতা অর্জনের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২৬ নির্ধারণ করা হয়েছে। এ অনুযায়ী, ২০০৮ সালের ৩১ অক্টোবর বা তার আগে জন্ম নেওয়া এবং ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ভোটার তালিকার ডেটাবেইসে নিবন্ধিত ব্যক্তিদের হালনাগাদ ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।
খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশের পর তা পরিদর্শন ও ভুলত্রুটি সংশোধনের জন্য আবেদন করতে জনসাধারণকে উৎসাহিত করতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য মসজিদ, মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়ে ইমাম ও পুরোহিতদের মাধ্যমে নামাজ বা প্রার্থনার আগে-পরে ঘোষণা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় সাংবাদিক ও কেবল অপারেটরদের মাধ্যমে বিষয়টি প্রচারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
নির্দেশনায় আরও বলা হয়েছে, খসড়া ভোটার তালিকায় পুরুষের তালিকায় নারী ভোটার, নারীর তালিকায় পুরুষ ভোটার অন্তর্ভুক্ত হওয়া, ধর্ম-সংক্রান্ত ভুলসহ যেকোনো ত্রুটি শনাক্ত হলে তা সংশোধনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য, আগামী জানুয়ারি থেকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরুর পরিকল্পনা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। এর আগে নতুন ভোটার অন্তর্ভুক্তি, ভোটার তালিকা হালনাগাদ ও ভোটার এলাকা পরিবর্তনের কার্যক্রম নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করতে চায় কমিশন।