• শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

৯ কোটি টাকার মানি লন্ডারিং দিয়ে পলাশবাড়িতে শ্রীরাম বিগ্রহ তৈরির আলোচিত সেই হরিদাস গ্রেপ্তার

তোলপাড় প্রতিবেদক:
আপডেট: সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬

Views: 3

ঢাকার উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা মানি লন্ডারিং মামলায় অভিযুক্ত গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার রামচন্দ্রপুরের রাধা গোবিন্দ মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা হরিদাস চন্দ্র দাসকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

সোমবার (১৩ জুলাই) পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। রোববার (১২ জুলাই) রাতে মন্দির এলাকার রির্সোট থেকে গাইবান্ধা পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেপ্তার করে সিআইডি। পরে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। -খবর তোলপাড়।

এর আগে বৈধ আয়ের উৎস না থাকা সত্ত্বেও ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে হরিদাস চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে মামলা করে সিআইডি। সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট জানায়, পলাশবাড়ী উপজেলার মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের বাসিন্দা হরিদাস চন্দ্র ২০১৯ সালে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তৌহিদ ইসলাম নাম ধারণ করেন।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি বিভিন্ন সময়ে নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার পরিচয় দিয়ে সরকারি চাকরি, বদলি, হুন্ডি ও সংঘবদ্ধ অপরাধের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রতারণামূলক কর্মকাণ্ড চালাতেন। বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরির জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে নিজের সম্পাদিত (এডিট করা) ছবি এবং প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নামে সংরক্ষিত ভুয়া ফোনকলও প্রদর্শন করতেন।

সিআইডির প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযুক্তের বৈধ কোনো আয়ের উৎস না থাকলেও তার বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টে মোট ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা জমা হয়েছে এবং প্রায় একই পরিমাণ অর্থ উত্তোলন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য ব্যক্তি তার হিসাবে অর্থ জমা দিয়েছেন, যা তার পেশা ও পরিচয়ের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

অনুসন্ধানে আরও জানা যায়, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে এর আগে বনানী থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন এবং দণ্ডবিধির প্রতারণা, বিশ্বাসভঙ্গসহ বিভিন্ন ধারায় একটি মামলা রয়েছে।

এসব তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধের প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়ায় উত্তরা পশ্চিম থানায় মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫)-এর ৪(২) ধারায় তার বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হয়েছে।

সিআইডি জানিয়েছে, অভিযুক্তের বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব ও মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস অ্যাকাউন্টে হওয়া সন্দেহজনকভাবে লেনদেনের বিষয়ে তদন্ত কার্যক্রম চলমান ।


এই বিভাগের আরও খবর