রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ফেনীতে আদালত প্রাঙ্গনে বাদীর উপর হামলা গ্রেফতার ২

প্রকাশের সময়: রবিবার, ১৩ এপ্রিল, ২০২৫

কামরুল হাসান লিটন, ফেনী:

ফেনীর অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত প্রাঙ্গনে বাদীর উপর হামলা করেছে আসামি ও তার সহযোগীরা। রবিবার(১৩ এপ্রিল) দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচে এডিএম কোর্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল থেকে হামলায় জড়িত দুজনকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করেছে পুলিশ।

জানা যায়, ভুমি বিরোধের জেরে সোনাগাজী পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন বদরউদ্দিন ভূঞা বাড়ির ছেরাজুল হকের স্ত্রী মর্জিনা আক্তার একই বাড়ির আজিজুল হক গংয়ের বিরুদ্ধে অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতে ১৪৫ ধারায় মামলা করেন। রবিবার দুপুরে আদালতে হাজির হন উভয় পক্ষ। এক পর্যায়ে বাদী মর্জিনার উপর হামলা করেন আজিজুল হক ও তার সহযোগীরা। এ সময় মর্জিনাকে রক্ষা করতে তার স্বামী ছেরাজুল হক(৫০) এগিয়ে আসলে সন্ত্রাসীরা তার ছেলে এমদাদুল হক শাকিব(২৩) ও এনামুল হক সজিব(১২) ও তার স্বামীর উপর হামলা করে।

বাদী মর্জিনা আক্তার জানান, মামলা তুলে নেয়ার জন্য বারবার তাকে হুমকি দেয় আসামিগণ। আদালতের বারান্দায় আবারও হুমকি দিলে এক পর্যায়ে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এ সময় আসামী আজিজুল হক তার ছেলে আমজাদ হোসেন সুমন ও আফজাল হোসেন সুজনসহ ১০/১২জন তার উপর হামলা করে। আদালতের আইনজীবি ও পুলিশ সদস্যরা তাদের উদ্ধার করে ফেনী ২৫০শয্যা জেনারেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন। সন্ত্রাসীদের হামলার সময় আদালতের কার্যক্রম চলছিল। বিষয়টি বিজ্ঞ আদালতকে অবহিত করলে আদালত হামলাকারীদেরকে গ্রেফতার করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দিলে পুলিশ দু’ জনকে গ্রেফতার করে। পরে আদালত তাদের থেকে মুসলেকা নিয়ে আগামী তারিখে মামলা নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন।

এ ব্যপারে আজিজুল হক বলেন, মামলার বিষয় নিয়ে বাকবিতন্ডার এক পর্যায়ে ছেরাজল হক ও তার ছেলেরা আমার উপর হামলা করে। এতে তিনি ও তার দুই ছেলে মারাত্বক আহত হয়েছে। হামলার ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

বাদি পক্ষের আইনজীবি অ্যাড. জাহাঙ্গীর আলম নান্টু বলেন, আসামিদের দাবি অনুযায়ী মামলা প্রত্যাহার না করায় এ হামলার ঘটনা ঘটে। আইনজীবি ও পুলিশের সহযোগীতায় প্রাণে রক্ষা পেয়েছেন বাদী এবং তাঁর পরিবার।

ফেনী জর্জ আদালতের (ওসি) মাজহারুল করিম কালেরকন্ঠকে বলেন, হামলায় জড়িত আমজাদ হোসেন সুমন ও আফজাল হোসেন সুজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়। আদালত মুছলেকা নিয়ে তাদেরকে সতর্ক করে ছেড়ে দেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর