• সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১২:৪৭ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করায় আপনাকে স্বাগতম। গুরত্বপূর্ণ তথ্যের জন্য ওয়েবসাইটটির সাথেই থাকুন, আপনার প্রতিষ্ঠানের বহুল প্রচারের জন্য নিয়মিত বিজ্ঞাপন দিন +৮৮-০১৭১৯০২৬৭০০

যত অপকর্মে লিপ্ত ছিল সোহেল রানার

প্রধান প্রতিবেদক:
Update : রবিবার, ২৪ মে, ২০২৬

ঢাকার পল্লবীতে সাত বছর বয়সী শিক্ষার্থী রামিসা আক্তার হত্যা মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঘিরে সামনে এসেছে অতীত জীবনের সব অপকর্মের তথ্য। গ্রামে মাদক ও অনলাইন জুয়ায় আসক্ত ছিল সে। জুয়ায় জড়িয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়। ছোট ভাইয়ের স্ত্রীর সঙ্গেও ছিল তার পরকীয়া সম্পর্ক। এ কারণে ভাঙে তার ১০ বছরের সংসার। দ্বিতীয় বিয়ের পর ঢাকায় বসবাস শুরু করলেও অপরাধপ্রবণতা কমেনি। সবশেষ পল্লবীর সাবলেট ঘরে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর নৃশংসভাবে হত্যা করে পালিয়ে যায় সে। পরে গ্রেফতার হয় পুলিশের হাতে।-খবর তোলপাড়।

রামিসার ধর্ষক, খুনি সোহেল রানার বাড়ি নাটোরের মহেশচন্দ্রপুরে। এলাকায় রিকশা মেরামতের কাজ করত সে। ১০ বছর আগে প্রথম বিয়ে করে। সেই ঘরে এক সন্তানও আছে। তবে ছোট ভাইয়ের বউয়ের সঙ্গে পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর সঙ্গে বিচ্ছেদ ঘটে। বছর তিনেক আগে পাশের গ্রামে দ্বিতীয় বিয়ে করে সে। মাদক ও জুয়ায় আসক্ত ঋণে জর্জরিত হয়ে পরিবারের চাপে এলাকা ছাড়ে সে।

ঢাকায় এসে মিরপুর পল্লবীতে এক ফ্ল্যাটে সাবলেট নেয়। ওই বাসার কেয়ারটেকার মনির জানান, পরিচিত দুজনের তদবিরে সোহেলকে নিজ গ্যারেজে কাজ দেন। ফ্ল্যাটের ভাড়াটিয়া মাসুদের দাবি, কেয়ারটেকারের কথায় তিনি সাবলেট দিয়েছিলেন। কেয়ারটেকার মনির বলেন, ‘পরিচিত আরও দুজন আছে। ওরা বলল মিস্ত্রি আছে একটা, নিবেন কি না? আমি কই, আপনারা যদি ভালো মনে করেন, তাহলে দেন। ১৫ দিন হাবভাব দেখলাম, একদিন অ্যাবসেন্ট করে, দুদিন অ্যাবসেন্ট করে, তিনদিন অ্যাবসেন্ট করে। পরে আমি আমার গ্যারেজ থেকে ওরে না করে দিলাম।’

জানা যায়, ঢাকায় সোহেল রানার থাকা এবং কাজের ব্যবস্থা করে দেন তাদের একই গ্রামের সাদ্দাম ও হানিফ। তারা জানান, ৬ মাস আগে গ্রামের কামাল নামে একজন সুপারিশ করেন। অবশ্য এ অভিযোগের ব্যাপারে বিভ্রান্তিকর তথ্য দেন কামাল। এর ৬ মাস আগে সাদ্দামের মাধ্যমে বিহারি ক্যাম্পের এক বাসায় সাবলেট নেন সোহেল রানা ও তার স্ত্রী। নিয়মিত মাদকসেবন করায় তাদের বাসা ছাড়তে বাধ্য করা হয়।

বিহারি ক্যাম্পের ওই বাড়ির মালিক বলেন, ‘আমার বাসায় সে দুই মাস ছিল। সোহেল ইয়াবাসেবন করত। আমার ওয়াইফ এগুলো পছন্দ করে না। এ কারণে ওরে আমাদের বাসা থেকে না কইরা দিছি।’

সোহেল রানার ছোট বোন জলি বেগম বলেন, ‘বছর তিনেক আগে পরিবার থেকে বের করে দেওয়া হয় তাকে। দীর্ঘদিন যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। মা-বাবার খাওয়ার খরচও দেয় না, কোনো লেনদেনই নেই এর মধ্যে। এলাকায় মাদক, জুয়াসহ নানা অপকর্মে জড়িত ছিল সোহেল রানা।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর