শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’, জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চরাঞ্চলেসহ প্রত্যন্ত এলাকায় ডিজেল সংকটে ব্যহত হচ্ছে কৃষি সেচ কার্যক্রম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত ১৫ বছর পর ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব নকল বন্ধে এসএসসির রুটিন না দেওয়ার খবর সঠিক নয় বাংলাদেশে হামের টিকার সংকট নেই, ২০ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ সব যাত্রীর মৃত্যু ! স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

কুড়িগ্রামের নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজে বার্ষিক পরীক্ষায় দুইটি বিষয়ে প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল, পরীক্ষার্থীরা বিপাকে

প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫


নিজস্ব প্রতিবেদক:

কুড়িগ্রাম সদরে অবস্থিত নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজের দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্নে অসংখ্য ভুল বানান নিয়ে চলছে সমালোচনা। তবে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বলছেন, প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে বলে জানিয়েছে। পরীক্ষার্থীরা রয়েছে চরম বিপাকে।

গত ২৪ ও ২৫ নভেম্বর প্রতিষ্ঠানের বার্ষিক পরীক্ষায় দশম শ্রেণির বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রে প্রশ্নে অসংখ্য বানান ভুল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। আর সেই ভুল বানানের প্রশ্ন দিয়েই পরপর দুইটি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এটা নিয়ে ছাত্র ও অভিভাবক মাঝে শুরু হয় আলোচনা সমালোচনা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক বলেন, নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজে আগের মতো শিক্ষাব্যবস্থা নেই। এমন একটি প্রতিষ্ঠানে প্রশ্নপত্রে ভুল থাকা অমার্জনীয় অপরাধ। একটা প্রশ্নে এত ভুল হলে ছাত্রছাত্রীরা কী শিখবে? এখানকার শিক্ষকরা নিজেদের স্বার্থ দেখেন, মনোযোগ সহকারে প্রশ্নপত্র তৈরি করেন না। এর ফলে প্রশ্নে ভুল থেকে যায়। শিক্ষকরা এখন শ্রেণিকক্ষে পড়ালেখা বাদ দিয়ে নিজেদের বাসায় প্রাইভেট নিয়ে ব্যস্ত থাকেন। এত বড় স্কুলে প্রশ্নপত্রে এত ভুল আমাদের ভাবিয়ে তুলেছে।

একাধিক ছাত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বাংলা প্রথম ও দ্বিতীয় পরীক্ষার প্রশ্নে বানানগুলো বুঝতে আমাদের অনেক কষ্ট হয়েছে। প্রশ্নে এমনভাবে বানান ভুল যা আমাদের বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলেছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে নীলারাম স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ পরমেস্বর চন্দ্র রায় বলেন, দুইটি পরীক্ষার পরে ভুলগুলো আমাদের চোখে পড়ে। প্রিন্ট মিসটেকের কারণে এই সমস্যা হয়েছে। আমি দেখার পর তিন সদস্য বিশিষ্ট পরীক্ষা কমিটির সাথে রাগারাগি করেছি। দুইটি পরীক্ষায় এই মিসটেক হয়েছে। পরবর্তীতে আর হবে না।

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: আব্দুর রব জানান, এটা আমার জানা নেই। আর আমরা তো প্রশ্ন তৈরি করি না। স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠান প্রশ্ন তৈরি করে পরীক্ষা নেয়। দায়িত্বের যারা ছিল তাদের এটা গাফিলতি। এটা কাঙ্খিত নয়। এই ধরনের প্রতিষ্ঠানের প্রশ্নের বানান ভুল তাহলে শিক্ষার্থীরা শিখবে কি? এটা দুঃখজনক বিষয়। আমি হেড স্যারকে বলবো সতর্ক থাকার জন্য। যাতে অন্য পরীক্ষায় আর এধরনের ভুল না হয়।

জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো: শফিকুল ইসলাম জানান, বিষযটি আমার জানা নাই, প্রশ্নের কোন কপি থাকলে আমার হোয়াটসঅ্যাপে দেন, আমি দেখে ব্যবস্থা নিচ্ছি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর