শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’, জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চরাঞ্চলেসহ প্রত্যন্ত এলাকায় ডিজেল সংকটে ব্যহত হচ্ছে কৃষি সেচ কার্যক্রম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত ১৫ বছর পর ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব নকল বন্ধে এসএসসির রুটিন না দেওয়ার খবর সঠিক নয় বাংলাদেশে হামের টিকার সংকট নেই, ২০ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ সব যাত্রীর মৃত্যু ! স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

কুড়িগ্রামে পেট্রোল পাম্পে দীর্ঘ লাইন, ব্যাহত জরুরি সেবা ও কৃষিকাজ

প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২৬


পিএম সৈকত:

কুড়িগ্রামে তীব্র জ্বালানি সংকটে পেট্রোল পাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইনের সৃষ্টি হয়েছে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও অনেকে তেল না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে জরুরি সেবা, কৃষিকাজ ও পরিবহন কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকালে রাজারহাট-তিস্তা সড়কের অদ্বিতা সুধি কানন ফিলিং স্টেশনসহ উপজেলার দু’টি পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দেখা যায়, মঙ্গলবার ভোর থেকেই মোটরসাইকেল চালক ও বিভিন্ন যানবাহনের চালকেরা পেট্রোল ও ডিজেল সংগ্রহের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে আছেন। সকাল ১০টার দিকে তেল সরবরাহ শুরু হলে মুহূর্তেই ভিড় বেড়ে যায়। তবে সরবরাহ সীমিত থাকায় অনেকেই খালি হাতে ফিরে যান।

গত কয়েকদিন ধরে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় জ্বালানি তেলের সংকট প্রকট আকার ধারণ করেছে। এর ফলে সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন কৃষকরা। চলমান কৃষি মৌসুমে সেচ কার্যক্রমের জন্য ডিজেলের ওপর নির্ভরশীল শ্যালো মেশিন ও সেচযন্ত্রগুলো তেল সংকটে বন্ধ হয়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে।

এদিকে ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন, অ্যাম্বুলেন্স ও চিকিৎসা সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যানবাহনগুলোও পড়েছে বিপাকে। তেল সংকটের কারণে জরুরি সেবায় বিঘœ ঘটার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজারহাট পল্লী বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, “কয়েক দিন ধরে চেষ্টা করে আজ পেট্রোল পেয়েছি। তেল না থাকলে গ্রাহকদের কাছে সেবা পৌঁছানো সম্ভব হয় না।”

ফায়ার সার্ভিসের এক কর্মী জানান, “জ্বালানি সংকটের কারণে জরুরি প্রয়োজনে গাড়ি নিয়ে বের হওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। মাঝপথে তেল শেষ হয়ে গেলে বড় ধরনের সমস্যা তৈরি হতে পারে।”

রাজারহাট বাজারের ব্যবসায়ী অপু বলেন, “ব্যবসা ফেলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও তেল পাওয়া যাচ্ছে না। এতে সময় ও অর্থ-দুই-ই নষ্ট হচ্ছে।”
পরিবহন চালকদের অভিযোগ, তেল না পেয়ে খালি গাড়ি নিয়েই চলে যেতে হচ্ছে।

ফিলিং স্টেশন মালিকরা জানান, চাহিদার তুলনায় জ্বালানি সরবরাহ অর্ধেকেরও কম। একরাম ফিলিং স্টেশনের মালিক সাদেকুল হক নুরু এবং মেসার্স অদ্বিতা সুধী কানন ফিলিং স্টেশনের মালিক বুলু সরকার বলেন, “প্রতিদিন যেখানে ৫ থেকে ৬ হাজার লিটার জ্বালানি প্রয়োজন, সেখানে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র প্রায় ৩ হাজার লিটার। এতে চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে না।”

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক অর্ন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “জ্বালানি সংকটের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে।”#


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর