শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:১৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’, জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চরাঞ্চলেসহ প্রত্যন্ত এলাকায় ডিজেল সংকটে ব্যহত হচ্ছে কৃষি সেচ কার্যক্রম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত ১৫ বছর পর ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব নকল বন্ধে এসএসসির রুটিন না দেওয়ার খবর সঠিক নয় বাংলাদেশে হামের টিকার সংকট নেই, ২০ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ সব যাত্রীর মৃত্যু ! স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা এঁকে স্কুলশিক্ষকের কৃতিত্ব

প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ এপ্রিল, ২০২৬


পিএম সৈকত:

কুড়িগ্রামের উলিপুরে ধানক্ষেতে জাতীয় স্মৃতিসৌধের নকশা ফুটিয়ে তুলে আবারও আলোচনায় এসেছেন এক স্কুলশিক্ষক। তিনি উপজেলার পৌর শহরের পুব নাওডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা এবং উলিপুর পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে, উলিপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাফর সাদিক।

চলতি বোরো মৌসুমে নিজস্ব প্রায় ১৭ বিঘা জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করছেন জাফর সাদিক। এর মধ্যে ব্রি ধান-১১৩ এর ক্ষেতে বেগুনি রঙের ধানের চারা ব্যবহার করে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের আকৃতি ফুটিয়ে তুলেছেন। দূর থেকেই স্পষ্ট দেখা যায় এই নকশা, যা পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে।

এর আগেও তিনি ধানক্ষেতে জাতীয় ফুল, জাতীয় পতাকা এবং বাংলাদেশের মানচিত্রের নকশা তৈরি করে প্রশংসা কুড়িয়েছেন। পেশায় শিক্ষক হলেও কৃষির প্রতি তার রয়েছে গভীর অনুরাগ। নিয়মিত পাঠদানের পাশাপাশি তিনি নিজেই জমিতে চাষাবাদ করেন এবং সৃজনশীল কাজের মাধ্যমে দেশপ্রেম তুলে ধরার চেষ্টা করেন।

এসএসসি পরীক্ষার্থী রাকিব হাসান, শরিফ উদ্দিন ও আমিনুল ইসলামসহ অনেকেই বলেন, “আমরা দূর থেকে এখানে দেখতে এসেছি। ধানক্ষেতে এমন নকশা দেখে খুব ভালো লাগছে। এর মাধ্যমে নতুন প্রজন্ম মহান মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারবে।

স্থানীয় বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, “একজন শিক্ষক হয়ে কৃষিকাজে এমন সৃজনশীলতা দেখানো সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তিনি আমাদের এলাকার গর্ব।

এ বিষয়ে জাফর সাদিক বলেন, “শিক্ষকতা আমার পেশা, কৃষি আমার নেশা, আর দেশপ্রেম আমার বিশ্বাস। সেই বিশ্বাস থেকেই কৃষিক্ষেত্রকে দেশপ্রেম জাগানোর একটি মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করছি।

বিদ্যালয়ে আমি বইয়ের মাধ্যমে ইতিহাস শেখাই, আর মাঠে মাটির মাধ্যমে সেই ইতিহাস তুলে ধরার চেষ্টা করি।

উলিপুর-রাজারহাট সড়কের পাশে অবস্থিত তার এই ধানক্ষেত প্রতিদিন শত শত মানুষের নজর কাড়ছে। অনেক পথচারী থেমে ছবি তুলছেন এবং স্মরণ করছেন স্বাধীনতার রক্তঝরা ইতিহাস। এই সৃজনশীল উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে জাফর সাদিক বলেন, মানুষের আগ্রহই তার কাজের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর