সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ১২:০৪ পূর্বাহ্ন
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

পতিত জমিতে মাচায় লাউ চাষ করে স্বাবলম্বী কুড়িগ্রামের কৃষক কামরুজ্জামান

প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ৬ নভেম্বর, ২০২৫


সংবাদদাতা, কুড়িগ্রাম:

কুড়িগ্রামে অনেক স্থানে পতিত জমি এখন সবুজে ভরে উঠছে। মাচায় ঝুলছে অসংখ্য লাউ কোনোটা কচি, কোনোটা বিক্রির উপযুগি। ক্ষেতজুড়ে দুলছে সবুজ, আর কৃষকের মুখে ফুটছে তৃপ্তির হাসি। একসময় অনাবাদি পড়ে থাকা জমিতে এখন ফলছে আশার ফসল লাউ। একসময় জমি অনাবাদি পড়ে থাকত, সেখানে এখন দুলছে সবুজের ছায়া। লাউয়ের মাচা শুধু ফলনের নয়, কুড়িগ্রামের কৃষকের মুখে এনে দিয়েছে জীবনের হাসি।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ভোগডাঙ্গা ইউনিয়নের উত্তর কুমরপুর এলাকার কৃষক কামরুজ্জামান। মাত্র ১৫ শতক জমিতে মাচায় লাউ চাষ করে পেয়েছেন ভালো ফলন। তার চোখে এখন নতুন স্বপ্ন, আরও বড় পরিসরে চাষ করবেন আগামী মৌসুমে এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।

কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা আয়, আগে মাঠে লাউ চাষ করলে পোকামাকড়ের আক্রমণ হতো, ফলনও কম হতো। এখন মাচায় চাষ করে খরচ কম, ফলনও ভালো। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে উন্নত জাতের বীজ ও মাচা পদ্ধতিতে চাষ করায় পোকামাকড়ের আক্রমণ অনেক অংশে হ্রাস পেয়েছে। ফলে প্রতিটি গাছে ধরছে প্রচুর লাউ, আর বাজারে কৃষকরা দামও পাচ্ছেন ভালো।

সদরের পাঁচগাছী ইউনিয়নের তরুণ কৃষক আশিক বলেন, আমি ২৪ শতক জমিতে লাউ চাষ করেছি। খরচ হয়েছে ১০ হাজার টাকা। এ পর্যন্ত লাউ বিক্রি করছি প্রায় ৫০ হাজার টাকার। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এবার আমার ফলন ভালো হয়েছে।

লাভবান হওয়ার এদের অনুসরণে গ্রামের আরও অনেক কৃষক এখন লাউ চাষের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠছেন। কেউ নিজের বাড়ির পাশে ছোট আকারে চাষ শুরু করেছেন, কেউ বা আবার পতিত জমি ব্যবহার করছেন নতুন করে লাউ চাষের লক্ষ্যে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাহিদা আফরিন বলেন, পতিত জমি ও বাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় কৃষকদের লাউ চাষে উৎসাহিত করা হচ্ছে। নিয়মিত পরামর্শ ও সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর