সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৩৭ অপরাহ্ন
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

প্রতীক নিয়ে প্রচারে প্রার্থীরা

প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী, ২০২৬

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি দল। মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ১৯৮১ জন, এর মধ্যে দলীয় ১৭৩২ জন এবং স্বতন্ত্র ২৪৯ জন।

গতকাল নির্বাচন কমিশন থেকে প্রার্থীদের অনুকূলে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার পরপরই উৎসবমুখর পরিবেশে মাঠে নেমে পড়েছেন প্রার্থী ও তাঁদের সমর্থকরা। এর আগে সকাল থেকেই সংশ্লিষ্ট রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে ভিড় জমান প্রার্থী ও তাঁদের প্রতিনিধিরা। প্রতীক হাতে পাওয়ার পরপরই শুরু হয় আনন্দমিছিল ও স্লোগান। কাক্সিক্ষত প্রতীক পাওয়ার পর অনেক প্রার্থীই সরাসরি চলে যান নিজ নির্বাচনি এলাকার সাধারণ মানুষের কাছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের পাল্টাপাল্টি অভিযোগের মধ্যে প্রচারে নামছেন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে মার্কা পেয়ে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড, ভোটের পরিবেশ নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া, নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, পক্ষপাতিত্ব নিয়ে উদ্বেগ আর অভিযোগের শেষ নেই যেন। অবাধ, সুষ্ঠু নিরপেক্ষ নির্বাচনের উপযুক্ত পরিবেশে নিশ্চিতের পাশাপাশি লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড চান সবাই। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় ও স্বতন্ত্র মিলে ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে ভোটের মাঠে রয়েছেন ১৯৭২ প্রতিদ্বন্দ্বী। গতকাল (বুধবার) তাদের প্রতীক বরাদ্দ দিয়েছেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা, আজ (বৃহস্পতিবার) থেকে নির্বাচনি প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা। বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ অর্ধশত দল এবার নির্বাচনে। আওয়ামী লীগ নিষিদ্ধের পর নিবন্ধন স্থগিত থাকায় নেই ভোটের মাঠে। অন্যদিকে প্রতীক বরাদ্দের সঙ্গে সঙ্গেই সারা দেশে পাল্টে গেছে নির্বাচনি এলাকার দৃশ্যপট।-খবর তোলপাড়।

মোড়ে মোড়ে ঝুলতে শুরু করেছে সাদা-কালো পোস্টার। পাড়া-মহল্লায় মাইকিংয়ের মাধ্যমে প্রার্থীরা নিজেদের মার্কা ও উন্নয়ন পরিকল্পনার কথা জনগণের সামনে তুলে ধরছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতেও শুরু হয়েছে ডিজিটাল প্রচারণা। এদিকে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে নির্বাচনি আচরণবিধি কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। রিটার্নিং কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, প্রচারণার সময় কোনো প্রকার বিশৃঙ্খলা বা উসকানিমূলক কর্মকাণ্ড বরদাশত করা হবে না। নির্ধারিত সময়ের বাইরে মাইকিং এবং যত্রতত্র পোস্টার লাগানোর বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের নজরদারি অব্যাহত থাকবে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর প্রতীক বরাদ্দ হওয়ায় ভোটারদের মাঝেও ব্যাপক উদ্দীপনা দেখা যাচ্ছে। সাধারণ মানুষ আশা করছে, একটি সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশের মধ্য দিয়ে তারা তাদের পছন্দের জনপ্রতিনিধিকে বেছে নিতে পারবে। প্রতীক বরাদ্দের এই মাহেন্দ্রক্ষণ মূলত ভোটের চূড়ান্ত লড়াইয়ের প্রথম ধাপ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

পাল্টাপাল্টি অভিযোগগুলোকে ‘রাজনৈতিক কৌশল’ ভাবছে ইসি, সেই সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ভোটের আবহ শুরু হয়েছে। অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট আয়োজনে যা যা পদক্ষেপ নেওয়া দরকার, সব নেওয়ার পাশাপাশি আইন-বিধি ব্যত্যয় হলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের আর কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে সতর্ক করেন নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার। কেন্দ্রীয় সমন্বয় সেল থেকে নিয়মিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমা, ৩০ ডিসেম্বর থেকে ৪ জানুয়ারি বাছাই এবং ১০-১৮ জানুয়ারি আপিল শুনানি শেষে প্রায় ২ হাজার প্রার্থী ভোটের মাঠে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ ও গণভোট নিয়ে রায় দেবেন পৌনে ১৩ কোটি ভোটার।

সারা দেশে প্রতীক পেয়ে ভোটের আমেজে প্রার্থীরা

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি সংসদীয় আসনে প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীক বরাদ্দ পেয়েছেন। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমানের কাছ থেকে তারেক রহমানের পক্ষে ধানের শীষ প্রতীক গ্রহণ করেন জেলা বিএনপির সভাপতি রেজাউল করিম বাদশা। এই আসনে মোট পাঁচজন বৈধ প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন। বাকি প্রার্থীদের মধ্যে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) আবদুল্লাহ আল ওয়াকি পেয়েছেন তারা প্রতীক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবু নুমান মো. মামুনুর রশিদ হাতপাখা, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল দাঁড়িপাল্লা প্রতীক এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মনোনীত প্রার্থী দিলরুবা নূরী মই প্রতীক বরাদ্দ পান।

লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনের ২৯ জন প্রার্থী প্রতীক পেয়েছেন। বুধবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপি, ইসলামী আন্দোলন, জাতীয় পার্টিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থী এবং প্রতিনিধিদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। উৎসবমুখর পরিবেশে জেলা রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসান প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেন।

টাঙ্গাইলের আটটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৪৭ প্রার্থীর প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বুধবার দুপুরে জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে এ প্রতীক দেওয়া হয়। এ সময় জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা শরীফা হক দলীয় প্রতীকসহ স্বতন্ত্র সব প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেন। এ সময় প্রার্থীরা প্রতীক পেয়ে জনকল্যাণের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।

রাজশাহী জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন ৩৮ জন। প্রাথমিক বাছাইয়ে ১৯ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। আপিলে আবারও ১৩ জন প্রার্থিতা ফিরে পান। ফলে বৈধ প্রার্থী হন ৩২ জন। তবে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে তিনজন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। এখন বৈধ প্রার্থী ২৯ জন। রাজবাড়ীর দুটি আসনের ১২ জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক সুলতানা আক্তার প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন। রাজবাড়ী-১ আসনে চারজন প্রার্থী ও রাজবাড়ী-২ আসনে আটজন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেন তিনি। নোয়াখালীর ছয়টি নির্বাচনি আসনে বিএনপি, জামায়াত, এনসিপিসহ বিভিন্ন দলের ৪৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নরসিংদীর পাঁচটি আসনে ৪৬ জন প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিলেও প্রার্থিতা বাতিল ও প্রত্যাহার করায় ৪০ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নড়াইলের দুটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী ১৫ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। নওগাঁয় ছয়টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী ৩২ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

খাগড়াছড়িতে আটজনকে দলীয় প্রতীকের পাশাপাশি তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থীকে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়। হবিগঞ্জ জেলার চারটি আসনে মোট ২৪ প্রার্থীর মধ্যে উৎসব মুখর পরিবেশে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। গোপালগঞ্জের তিনটি সংসদীয় আসনের প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে। কক্সবাজারের চারটি আসনে অংশ নেওয়া বিভিন্ন দলের ১৭ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ সম্পন্ন হয়েছে। এদিকে, কক্সবাজার-৩ এর স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. ইলিয়াছ মিয়ার বাতিল হওয়া মনোনয়নপত্রটি হাই কোর্ট থেকে বৈধতা প্রসঙ্গে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, নির্বাচন কমিশন থেকে এ সংক্রান্ত কোনো আদেশ কক্সবাজার পৌঁছেনি। তবে কোনো আদেশ পেলে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে। চুয়াডাঙ্গার দুটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী বৈধ ছয় প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের সংসদীয় তিনটি আসনে বৈধ ১৬ জন প্রার্থীর মাঝে প্রতীক বরাদ্দ করা হয়েছে।

কোন দলের কত প্রার্থী : ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ৫১টি দল ভোটে থাকল। দলীয় ১৭৩২ প্রার্থী আর স্বতন্ত্র ২৪৯ জন মিলে এবার মোট প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী থাকল ১৯৮১ জন।

২৯৮ আসনে এসব প্রার্থী রয়েছে; পাবনা ১ ও পাবনা-২ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ২৭ জানুয়ারির পরে যুক্ত হবে। এবার সর্বোচ্চ প্রার্থী রয়েছে ধানের শীষের ২৮৮ জন; ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ২৫৩ রয়েছে দ্বিতীয় স্থানে।

জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী রয়েছে এখন ২২৪ জন। জাতীয় পার্টির ১৯২ জন, গণ অধিবার পরিষদের ৯০ জন আর এনসিপির ৩২ জন ভোটে রয়েছে।

তবে স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৪৯ জন রয়েছে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি- এলডিপি-১২ জন, জাতীয় পার্টি-জেপি-১০ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি-সিপিবি-৬৫ জন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-২৮৮ জন, গণতন্ত্রী পার্টি-১ জন, জাতীয় পার্টি-১৯২ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ-৬ জন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-২২৪ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি-২৬ জন, জাকের পার্টি-৭ জন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ-৩৯ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি-৫ জন, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলন-৮ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ- ১৩ জন, ন্যাশনাল পিপলস পার্টি-এনপিপি-২৩ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ-৪ জন, গণফোরাম-১৯ জন, গণফ্রন্ট- ৫ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ-১ জন, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-৩ জন, ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ-১৯ জন, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি-২ জন, ইসলামী ঐক্যজোট-২ জন, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস-৩৪ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ-২৫৩ জন, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্ট-২৬ জন, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা-১ জন,

বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি-৭ জন, খেলাফত মজলিস-২১ জন, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ-বিএমএল-৬ জন, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট)-২০ জন, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্ট-বিএনএফ-৮ জন, জাতীয়তাবাদী গণতান্ত্রিক আন্দোলন-এনডিএম-৮ জন, বাংলাদেশ কংগ্রেস-১৮ জন, ইনসানিয়াত বিপ্লব, বাংলাদেশ-৪২ জন, বাংলাদেশ জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-বাংলাদেশ জাসদ-১১ জন, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টি (বিএসপি)-১৯ জন, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পাটি)-৩০ জন, গণ অধিকার পরিষদ (জিওপি)-৯০ জন, নাগরিক ঐক্য-১১ জন, গণসংহতি আন্দোলন-১৭ জন, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টি-২ জন, বাংলাদেশ মাইনরিটি জনতা পার্টি (বিএমজেপি)-৮ জন, বাংলাদেশ লেবার পার্টি-১৫ জন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি (বিআরপি)-১২ জন, জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি-৩২ জন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল (মার্কসবাদী)-২৯ জন, জনতার দল-১৯ জন, আমজনতার দল-১৫ জন, বাংলাদেশ সম অধিকার পার্টি (বিইপি)-১ জন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি-৩ জন, স্বতন্ত্র প্রার্থী ২৪৯।

নিবন্ধিত দলে যারা ভোটে নেই-

বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এমএল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম।

৫৯টি নিবন্ধিত দলের মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত থাকায় ভোটে নেই দলটি। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের পথে ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ ও গণভোট হবে। ১১ ডিসেম্বর তফসিল ঘোষণার পর ৩৪১৭ জন মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, ২৯ ডিসেম্বর মনোনয়নপত্র জমার শেষ সময় ছিল, এ সময় ২৫৮০ জন মনোনয়নপত্র জমা দেয়। বাছাইয়ে ১৮৫৫ জন বৈধ হয়, বাতিল হয় ৭২৫ জনের মনোনয়নপত্র। নির্বাচন কমিশনে আপিল করে ৬৪৫ জন এর মধ্যে প্রার্থিতা ফেরত পান ৪৩৬ জন আর পাঁচজন বৈধ প্রার্থী বাদ পড়ে। সবশেষ ২০ জানুয়ারির মধ্যে ৩০৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকে ১৯৭২ জন, গতকাল তারা প্রতীক বরাদ্দ পান। আজ থেকে এসব প্রার্থী প্রচারে থাকবে। এবার পৌনে ১৩ কোটি ভোটার ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদের পাশাপাশি গণভোটে রায় দেবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর