ভোটের দিন যেসব প্রতিষ্ঠান খোলা, যেগুলো বন্ধ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) অনুষ্ঠিত হবে। ভোটের দিন সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে সরকার সারাদেশে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, নির্বাচনের দিন সব সরকারি, আধাসরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি অফিস এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।-খবর তোলপাড়।
সরকারি ও আধা-সরকারি অফিস, সচিবালয়সহ সব মন্ত্রণালয়, অধিদফতর, আধা-সরকারি সংস্থা ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগের বিচার কার্যক্রমও বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সকল তফসিলি ব্যাংক ও বীমা কোম্পানি ছুটির আওতায় থাকবে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও বিশ্ববিদ্যালয়ও বন্ধ থাকবে। একইভাবে বেসরকারি অফিস, করপোরেট প্রতিষ্ঠান, দোকানপাট ও শপিংমল সারাদেশে বন্ধ থাকবে। বাংলাদেশ দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতি এবং ঢাকা মহানগর দোকান ব্যবসায়ী মালিক সমিতির যৌথ সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভোটগ্রহণে সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তবে নির্বাচনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কিছু প্রতিষ্ঠান ও সেবা ছুটির আওতার বাইরে থাকবে। হাসপাতালে, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, পানি ও জরুরি টেলিযোগাযোগ সেবা সচল থাকবে। সংবাদপত্র, অনলাইন নিউজ পোর্টাল এবং টেলিভিশন চ্যানেলগুলোর অফিস ও গণমাধ্যমকর্মীরা কাজ করবেন। পুলিশ, আনসার, র্যাব এবং সেনাবাহিনী নির্বাচনী দায়িত্বে থাকবেন।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী ভোট পরিচালনায় সরাসরি যুক্ত কর্মকর্তাদের জন্য সাধারণ ছুটি প্রযোজ্য হবে না। রিটার্নিং অফিসার, প্রিজাইডিং অফিসার, সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ও পোলিং অফিসাররা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন। শিক্ষক ও ব্যাংকাররা যারা ভোটকেন্দ্রে দায়িত্ব পালন করবেন, তাদের জন্যও সাধারণ ছুটি প্রযোজ্য হবে না।
নির্বাচন কমিশন সচিবালয় এবং এর আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের সব অফিস পূর্ণ দিবস খোলা থাকবে। রিটার্নিং অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়গুলো ভোটের দিন সবচেয়ে ব্যস্ত সময় পার করবে।









Chief Editor-Dipali Rani Roy