শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
লঘুচাপের বর্ধিতাংশের প্রভাব: ৫ দিন দেশজুড়ে বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন মির্জা আব্বাসের স্মৃতির বারান্দায় ২০২০ কুড়িগ্রামে বিদেশি মদসহ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহীর মৃত্যু কুড়িগ্রামে ঈদে নিজের পছন্দমত পোষাক বেছে নিলো শিশুরা খাদ্য রংয়ের পরিবর্তে টেক্সটাইলের রং ব্যবহারের দায়ে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা চিলমারীতে উপজেলা পর্যায়ে শ্রষ্ঠ প্রতিষ্ঠান “রাজারভিটা ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসা” উলিপুরে নাগরিক দায়িত্ব, কর্তব্য ও করণীয় বিষয়ে আলোচনা সভা ওয়েবসাইট খুলে তুরস্কে চিকিৎসার ফাঁদ পেতে জিম্মি করে কোটি টাকা লোপাট ৫জন গ্রেপ্তার
সংসদ নির্বাচন:
https://www.banglaconverter.org/election

‘কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা না করলে বিএনপি-জামায়াতের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা’

প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২৫

সম্মিলিত খতমে নবুওয়ত পরিষদের আহ্বায়ক ও মধুপুরের পীর মাওলানা আব্দুল হামিদ শনিবার দুপুরে রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে আয়োজিত খতমে নবুওয়ত মহাসম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে বললেন, “হারাম ও কোনো বাতিলের সঙ্গে আপস নেই। বিএনপি ও জামায়াতের নেতাদের বলেছি, তারা যদি ক্ষমতায় গিয়ে কাদিয়ানিদের অমুসলিম ঘোষণা না করেন, তাহলে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা হবে।”-খবর তোলপাড়।

তিনি বলেন, এই মাটি আলেম-ওলামার মাটি, এই মাটি পীর-দরবেশের ঘাঁটি। এখানে যত বজ্জাতি-শয়তানি করেছো, ভালো হয়ে যাও। অন্যথায় খুনি হাসিনার মতো দেশ থেকে পালাতে হবে। মাওলানা আব্দুল হামিদ সরকারকে তওবা করে ভালো হয়ে ফিরে আসার আহ্বান জানান তিনি।

মহাসম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন পাকিস্তান ন্যাশনাল অ্যাসেম্বলি সদস্য ও জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম পাকিস্তানের সভাপতি মাওলানা ফজলুর রহমান। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা এবং দেশ-বিদেশের শীর্ষ আলেম-ওলামা বক্তব্য রাখেন।

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক কাদিয়ানীদের অমুসলিম ঘোষণার দাবি আদায়ে প্রয়োজন হলে ঢাকা অবরোধ, সংসদ অভিমুখে লংমার্চ ও সচিবালয় বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেন।

মহাসম্মেলন থেকে কাদিয়ানীদের ইসলামি পরিচয় বন্ধ, তাদের সব বিতর্কিত ও ইসলামবিরোধী প্রচারণা নিষিদ্ধসহ ছয় দফা দাবি পেশ করা হয়। এগুলো বাস্তবায়নে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি জোর দাবি জানানো হয়।

কাদিয়ানিদের রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণার দাবিতে তিন দফা কর্মসূচিও ঘোষণা করা হয়। এর মধ্যে রয়েছে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত গণস্বাক্ষর, মে-জুন মাসে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি প্রদান এবং জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত বিভাগীয় সম্মেলন আয়োজন।

শান্তিপূর্ণ এসব কর্মসূচি পালনের পরও দাবি বাস্তবায়িত না হলে ২০২৬ সালের ডিসেম্বরে জাতীয় ওলামা-মাশায়েখ সম্মেলন আহ্বান করা হবে বলে জানানো হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর