বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১২:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা রিমান্ডে প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থায় বড় পরিবর্তন, প্রাথমিক যাবে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত ‘স্মার্ট কৃষি’ কার্যক্রম বাস্তবায়নে একগুচ্ছ মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার দাখিল পরীক্ষায় দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মিতুর প্রতি বঞ্চনা সিগারেটের দাম ১০০ টাকা করার প্রস্তাব বিজিবির অভিযানে এয়ারগানের গুলিসহ বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার কুলির টাকায় নির্মিত সেতু : ২ যুগের দুর্ভোগের অবসান অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি ও চকলেট দিলো জাতীয় নাগরিক পার্টি এসএসসি পরীক্ষার্থীর অভিভাবকদের স্বস্তি দিতে ছাত্রদলের মানবিক উদ্যোগ তিনদিন আগে সিজার, নবজাতক রেখে পরীক্ষার হলে মা
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

তনু হত্যা মামলায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা রিমান্ডে

প্রকাশের সময়: বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬

বহুল আলোচিত সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলায় দীর্ঘ এক দশক পর প্রথমবারের মতো এক আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্ত সংস্থা। গ্রেপ্তার হওয়া হাফিজুর রহমান সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত ওয়ারেন্ট অফিসার। বুধবার (২২ এপ্রিল) তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।-খবর তেলপাড়।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, বুধবার সকালে রাজধানীর কেরানীগঞ্জের নিজ বাসা থেকে হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন, পিবিআই। পরে বিকেলে তাকে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মমিনুল হকের আদালতে তোলা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআইয়ের পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করলে শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ও নাট্যকর্মী তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসের অদূরে একটি জঙ্গলে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরদিন তার বাবা ইয়ার হোসেন অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

দীর্ঘ সময়ে এই মামলার তদন্তে একাধিক সংস্থা যুক্ত থাকলেও রহস্য উদঘাটন হয়নি। থানা-পুলিশ, ডিবি এবং পরে সিআইডি তদন্ত করেও অগ্রগতি আনতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালের ২১ অক্টোবর মামলার নথি পিবিআইয়ের ঢাকা সদর দপ্তরে হস্তান্তর করা হয়। পরবর্তীতে একাধিক তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে বর্তমানে মামলাটি দেখছেন পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম।

তদন্তে নতুন গতি আসে সম্প্রতি। গত ৬ এপ্রিল আদালতে সন্দেহভাজন তিনজনের ডিএনএ নমুনা মিলিয়ে দেখার আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা, যা আদালত অনুমোদন করেন। সেই তিনজনের একজন ছিলেন হাফিজুর রহমান। তদন্ত সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের পর ডিএনএ পরীক্ষার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

মামলার বাদী তনুর বাবা ইয়ার হোসেন বলেন, “মেয়ে হত্যার ১০ বছর পার হয়ে গেছে। মৃত্যুর আগে এর বিচার দেখে যেতে চাই।” দীর্ঘদিনের অপেক্ষার পর এই গ্রেপ্তারকে মামলার গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর