মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তিনদিন আগে সিজার, নবজাতক রেখে পরীক্ষার হলে মা স্ট্রমি ফাউন্ডেশন নরওয়ের প্রতিনিধি দলের কুড়িগ্রামে ইএসডিও’র সীড্স কর্মসূচী পরিদর্শন আরও যেসব জেলায় তেল মিলবে ‘ফুয়েল পাশ’ অ্যাপে পাকিস্তানে আজই ইরানের সঙ্গে চুক্তি সই, ঘোষণা ট্রাম্পের সংরক্ষিত নারী আসনে জামায়াত জোটের তালিকায় মনোনয়ন পেল ১৩ জন যাত্রা শুরু করলো বগুড়া সিটি করপোরেশন পুলিশের এএসআই পদের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ দেড় সহস্রাধিক কেন্দ্রে হাম-রুবেলার টিকাদান ক্যাম্পেইন শুরু নারী আসনে বিএনপি থেকে মনোনীত ৩৬ প্রার্থীর নাম ঘোষণা রাজারহাটে হাম প্রতিরোধ ক্যাম্পেইন-২০২৬ উদ্বোধন, প্রায় ২০ হাজার শিশু পাবে হামের টিকা
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বেড়াহীন অংশে পিলার স্থাপন করছে পশ্চিমবঙ্গ

প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৪

বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তের বেড়াহীন অংশে পিলার পোঁতা শুরু করেছে পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়ি জেলা প্রশাসন। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সহযোগিতায় এ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে তারা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টেলিগ্রাফ ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

ভারত ভাগের পর ১৯৪৭ সালে জলপাইগুড়ির নাওতারি দেবত্তুর, বড়শশী, কাজলদিঘি ও চিলাহাটি গ্রামগুলো ভারতীয় ভূখণ্ডের মধ্যে থাকলেও সেগুলো তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের মানচিত্রের অংশ ছিল। পরে ২০১৫ সালে ভারত-বাংলাদেশ স্থল সীমান্ত চুক্তিতে স্বাক্ষর করার সময় প্রয়োজনীয় সংশোধন শেষে গ্রামগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় মানচিত্রে অন্তর্ভুক্ত করা হয়।-খবর তোলপাড়।

আইনি জটিলতার কারণে এই গ্রামগুলো সংলগ্ন সীমান্তে ১৬ কিলোমিটার এলাকায় বেড়া দিতে পারেনি ভারত। এমনকি এখানে কোনো সীমান্ত পিলারও ছিল না। যাই হোক, গত ৫ আগস্ট বাংলাদেশে শেখ হাসিনা সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর এসব এলাকার বাসিন্দারা অবিলম্বে সীমান্ত চিহ্নিত করে বেড়া দেওয়ার ও বিএসএফের টহল শুরুর দাবি জানান।

গ্রামবাসীরা জলপাইগুড়ি জেলা ম্যাজিস্ট্রেটকে জানান, এসব কাজের জন্য জমি দিতে তাদের কোনো আপত্তি নেই। তবে, নতুন সমস্যা হিসেবে দাঁড়িয়ে যায়, সীমান্ত এলাকায় থাকা বাড়িঘর, স্বাস্থ্যকেন্দ্র, স্কুল ও ধর্মীয় স্থাপনা। গ্রামবাসী জেলা প্রশাসনের কাছে আবেদন জানান, যেন এমনভাবে বেড়া দেওয়া হয়, যাতে এসব স্থাপনা বেড়ার ভেতরেই পড়ে। বিগত তিন বছর ধরে প্রশাসন এই জটিলতা দূর করতে কাজ করেছে।

নতুন সমাধান হিসেবে বলা হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের যেসব এলাকা বেড়ার বাইরে পড়ে যাবে সেখানে যাওয়ার জন্য বেড়ায় বিভিন্ন পকেট গেট থাকবে। লোকজন সেখানে গিয়ে সারা দিন কাজ করে সন্ধ্যার আগেই ফিরে আসবে।

সীমান্ত পিলার স্থাপন, বেড়া দেওয়া ও অন্যান্য সমস্যা সমাধানের বিষয়ে জলপাইগুড়ি জেলা ম্যাজিস্ট্রেট শামা পারভীন বলেন, বাড়িঘর, ধর্মীয় স্থাপনা এবং অন্যান্য অবকাঠামো যাতে বেড়ার বাইরে না পড়ে তা নিশ্চিত করার জন্য তারা বিএসএফ এবং অন্যান্য সংস্থার কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলেছেন।

তিনি বলেন, ‘আমরা ভূমি জরিপ ও সীমানা পিলার স্থাপনের কাজ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছি। যথাসময়ে, এই অস্থায়ী পিলার উঠিয়ে সীমান্ত চিহ্নিত করার জন্য ত্রিভুজাকার আকৃতির স্থায়ী পিলার প্রতিস্থাপন করা হবে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর