শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ জানালো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধস্তন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’: ডা. জাহেদ বৈদ্যেরবাজারে তরুনের অভিযান গ্রন্থাগারের বাংলা নববর্ষ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রায় হাজারও মানুষের ঢল BTCL জিপন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফ্রি রাউটারসহ সংযোগ নেওয়ার নিয়ম(অনলাইন আবেদন) দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেলো স্কুল পোশাক ও ব্যাগ
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ভারতে ‘বাংলাদেশি অনুপ্রেবশকারী’ ইস্যুতে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

প্রকাশের সময়: বুধবার, ৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২০১১ সালে একটি মামলা হয়েছিল। সেই মামলাকে ধরেই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন তুললেন দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। দেশের বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টার ও জেলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের কেন আটকে রাখা হয়েছে, কেন তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হচ্ছে না, এই মর্মে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছে। ৬ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাদের সব তথ্য জানাতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

পাশাপাশি, যেহেতু পশ্চিমবঙ্গে এই মামলাটি হয়েছিল, ফলে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের করণীয় বিষয়েও জানতে চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট।
শুধু তা-ই নয়, সুপ্রিম কোর্টের অন্য একটি বেঞ্চ আরেকটি মামলার প্রেক্ষিতে আসাম সরকারকে জানিয়েছেন, তাদের বিভিন্ন ডিটেনশন ক্যাম্পে আটকে থাকা ৬৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে অবিলম্বে দেশে পাঠাতে হবে।-খবর তোলপাড়।

২০০৯ সালে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল। তাতে বলা হয়েছিল, বিদেশি সন্দেহে কোনো ব্যক্তিকে আটক করার পর তার পরিচয় যাচাই করতে হবে এবং তার ভিত্তিতে প্রত্যার্পণের প্রক্রিয়া শুরু করতে হবে।

৩০ দিনের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে। ২০১১ সালে পশ্চিমবঙ্গে যে মামলাটি হয়, তাতে অভিযোগ করা হয়, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জেলে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের দুর্বিসহ অবস্থা। ওই অভিযোগের ভিত্তিতে কলকাতা হাইকোর্ট একটি স্বতঃপ্রণোদিত মামলা শুরু করেন। পরবর্তীকালে যা সুপ্রিম কোর্ট পর্যন্ত যায়।

সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি পারদিওয়ালা ও মহাদেবন জানিয়েছেন, গত ১২ বছরে এই মামলার কোনো অগ্রগতি হয়নি। মামলা যখন হয়েছিল, তখন আদালতকে জানানো হয়েছিল, ৮৫০ জন বাংলাদেশি অনির্দিষ্টকাল ধরে আটক। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে নতুন করে এই সংখ্যাটি জানতে চেয়েছেন সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার যা আদালতকে জানানোর কথা। সুপ্রিম কোর্টের অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার নিজেই নিজের আইন লঙ্ঘন করছে। দ্রুত এই সমস্যার সুরাহা হওয়া দরকার।

আসামে বিদেশি ঘোষিত হওয়া ব্যক্তি ও এনআরসি প্রক্রিয়া নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন কমল চক্রবর্তী। ডয়চে ভেলেকে তিনি জানিয়েছেন, ‘বাংলাদেশ থেকে এসেছেন—এই নথি যাদের কাছে আছে, তাদের ফেরত পাঠানো সহজ। কিন্তু এমন বহু মানুষ আছেন, যাদের কাছে সেই নথি নেই। বাংলাদেশে তাদের কিভাবে পাঠানো হবে? বাংলাদেশ তাদের গ্রহণই বা কেন করবে?’

বস্তুত, আসামে এমন অনেক মানুষকে ডিটেনশন ক্যাম্পে রাখা হয়েছিল, যাদের ফরেনার্স ট্রাইবুনাল বিদেশি ঘোষণা করেছে। কিন্তু তারা যে বাংলাদেশ থেকে এসেছে—এমন কোনো নথি নেই। তাদের জন্মও হয়েছে ভারতে। কিন্তু পারিবারিক কাগজ না থাকার কারণে তাদের বিদেশি ঘোষণা করা হয়েছে। কমলের প্রশ্ন, এই ধরনের মানুষদের কিভাবে বাংলাদেশে ডিপোর্ট করা হবে? সুপ্রিম কোর্টকে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় সরকার কী বলে তা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন কমল। পাশাপাশি, উদ্ভূত সমস্যার দ্রুত সমাধান দরকার বলেও মনে করেন তিনি। ডয়চে ভেলে


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর