জুলাই শহীদদের জীবনী নিয়ে ১০ খণ্ডের বই প্রকাশ
বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন এক অধ্যায় যুক্ত হলো “জুলাই ২০২৪ বিপ্লব”—যেখানে ছাত্র ও জনতার সম্মিলিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে সর্বস্তরের মানুষের জেগে ওঠার এক অনন্য উদাহরণ রচিত হয়। এই বিপ্লবের প্রতিক্রিয়ায় দেশের বিভিন্ন প্রান্তে শত শত মানুষ শহীদ হন, হাজার হাজার মানুষ আহত ও অঙ্গহানির শিকার হন। তাদের স্মরণে এবং ইতিহাসকে সংরক্ষণের প্রয়াসে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে প্রকাশিত হয়েছে দশ খণ্ডে “দ্বিতীয় স্বাধীনতার শহীদ যারা” শীর্ষক একটি স্মারকগ্রন্থ।-খবর তোলপাড়।
এই স্মারকে স্থান পেয়েছে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে সংগ্রহ করা শহীদদের তথ্য, যারা জুলাই-আগস্ট ২০২৪-এর গণজাগরণে শহীদ হন। বিশেষ করে ছাত্রসমাজের সাহসিকতা, আত্মত্যাগ এবং নেতৃত্ব এই স্মারকে গুরুত্বের সাথে তুলে ধরা হয়েছে। স্মারকগ্রন্থে বলা হয়, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের নির্দেশে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলিবর্ষণ করে যে নিপীড়ন চালানো হয়, তা ইতিহাসে নজিরবিহীন।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী জানায়, স্মারকগ্রন্থটি তৈরি করতে মাঠপর্যায়ে স্বেচ্ছাসেবকরা তথ্য সংগ্রহ, ডিজাইন, সম্পাদনা ও মুদ্রণসহ সব কাজ সম্পন্ন করেছেন। সময়ের চাহিদা পূরণে তাড়াহুড়ো করে প্রকাশের কারণে কিছু মুদ্রণ ত্রুটি থাকলেও পরবর্তী সংস্করণে সেগুলো সংশোধনের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থেকে যারা পরবর্তীতে ইন্তেকাল করেছেন, তাদের নাম যুক্ত করে তালিকা ক্রমাগত হালনাগাদ করা হচ্ছে।
গ্রন্থটির মাধ্যমে একদিকে যেমন শহীদদের স্মৃতি সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, তেমনি জাতিকে স্মরণ করিয়ে দেওয়া হয়েছে—স্বাধীনতা কেবল একটি অর্জন নয়, বরং তা রক্ষা করতে গেলে সময় সময় আত্মত্যাগের প্রয়োজন পড়ে। এই স্মারক বাংলাদেশের ইতিহাসে ছাত্র-জনতার সাহসিকতা, সংগ্রাম ও আত্মবলিদানের দলিল হয়ে থাকবে। এর ওয়েবসাইটে আরও বলা হয়েছে, “যারা শহীদ হয়েছেন আল্লাহ তাদের কবুল করুন, আর যারা এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন, আল্লাহ তাদের সুস্থতা দান করুন।”
স্মারকগ্রন্থের দশটি খণ্ড অনলাইনে স্ক্যান কপির মাধ্যমে ডাউনলোডের জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে।
বিস্তারিত পড়ুন ও ডাউন লোড করুন,









Chief Editor-Dipali Rani Roy