শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৯:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ জানালো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধস্তন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’: ডা. জাহেদ বৈদ্যেরবাজারে তরুনের অভিযান গ্রন্থাগারের বাংলা নববর্ষ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রায় হাজারও মানুষের ঢল BTCL জিপন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফ্রি রাউটারসহ সংযোগ নেওয়ার নিয়ম(অনলাইন আবেদন) দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেলো স্কুল পোশাক ও ব্যাগ
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ট্রাকসহ ভেঙে পড়ল সেতু

প্রকাশের সময়: সোমবার, ১৯ মে, ২০২৫

সংবাদদাতা, সুনামগঞ্জ:

সুনামগঞ্জে বেইলি সেতু ভেঙে বালুবোঝাই একটি ট্রাক নদীতে পড়ে গেছে। সোমবার (১৯ মে) ভোরে বিশ্বম্ভরপুরেরে তাহিরপুর-আনোয়ারপুর সড়কের সজনার হাওর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। ফলে ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ওই সড়ক ব্যবহারের যাত্রী ও চালকরা ব্যাপক কষ্টে পড়েন।

স্থানীয়রা জানান, ভোরে নিয়ামতপুর থেকে অতিরিক্ত বালিবোঝাই ড্রাম ট্রাকটি সেতুর পশ্চিম পাশের স্টিলের বেইলি সেতু পার হওয়ার সময় ভেঙে পড়ে যায়। ৮০ ফুট দৈর্ঘের বেইলি সেতু স্টিলের পাত ও রেলিং দুমরে-মোচড়ে কুফা নদীর গভীর অংশে পড়ে এবং মূলসেতু ৭০ ফুট নিচে দেবে যায়। এ সময় ট্রাকের হেলপার ও চালক সামান্য আহত হন।

এলাকাবাসী সেতু এলাকায় বিকট শব্দ শুনে ঘটনাস্থলে এসে ট্রাকচালক ও হেলাপারকে উদ্ধার করে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠান।

ফতেহপুর গ্রামের আবুল কাশেম বলেন, ‘একটি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু ব্যবহারের জন্য যে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড লাগানোর প্রয়োজন ছিলো তাও লাগায়নি সড়ক জনপথ বিভাগ। তাই ভারী হালকা মাঝারি সব ধরনের গাড়ি সেতু দিয়ে চলাচল করে। আজ এই পরিণতি ভোগ করছেন সাধারণ মানুষ।’

কলায়া গ্রামের হোসেন আলী বলেন, ‘তাহিরপুর থেকে সুনামগঞ্জে বিকল্প সড়কে দ্রুত চলাচল করা যায়। বিশ্বম্ভরপুর কাঁচিরগাতি রোড দিয়ে সুনামগঞ্জ যেতে একঘণ্টা সময় বেশি লাগে। তাই এ রুটে প্রতিদিন শত শত যাত্রী চলাচল করেন। এ নিয়ে চার বার সেতু ভেঙে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়েছে।’

জিরাগ-তাহিরপুর গ্রামের আবুল হোসেন বলেন, ‘বিগত চার বছরে সেতু চারবার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কুফা নদীর স্রোতে ও সজনার হাওড়ে ঢেউয়ে পূর্ব-পশ্চিম পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে মূলসেতু থেকে দূরে সরে গেছে। তাই সহজ জোড়াতালি দিয়ে দুপাশে বেইলি সেতু স্থাপন করে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক রেখেছে। প্রতিবার মেরামতের জন্য যে টাকা ব্যয় হয়েছে তা খরচ করে একটি নতুন সেতু তৈরি করা যেত।’

সুনামগঞ্জ সড়ক জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী বলেন, ‘আগে ট্রাক উদ্ধার করে পরে সেতু সংস্কার করতে হবে। এতে ৭-৮ দিন সময় লাগবে। বিকল্প সড়ক ব্যবহার করে চলাচল করতে হবে। স্থানীয়ভাবে নৌকা দিয়ে যাত্রীরা পারাপার হচ্ছেন। এতো গভীর থেকে ট্রাক টেনে তুলতে ভারী ক্রেন লাগবে। সে ব্যবস্থা করা হচ্ছে।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর