শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ জানালো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধস্তন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’: ডা. জাহেদ বৈদ্যেরবাজারে তরুনের অভিযান গ্রন্থাগারের বাংলা নববর্ষ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রায় হাজারও মানুষের ঢল BTCL জিপন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফ্রি রাউটারসহ সংযোগ নেওয়ার নিয়ম(অনলাইন আবেদন) দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেলো স্কুল পোশাক ও ব্যাগ
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ফ্যাসিষ্ট দোসরদের নিয়ন্ত্রনে কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতাল

প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৬ নভেম্বর, ২০২৫


হারুর অর রশিদ হারুন:

ফ্যাসিষ্টের দোসর দুজন কর্মচারীর ঐদ্বত্বপূর্ণ আচরন লাগামহীন অনিয়ম দুর্নীতি সিন্ডিকেট তৈরীর ফলে ২৫০ শয্যা কুড়িগ্রাম সদর হাসপাতালটিতে এখন নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্বাস্থ্য সেবায় পদে পদে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির এখন চরমে।

ভুক্তভোগীদের অভিযাগে জানা গেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগের সভাপতির ভাতিজা পরিচয় দানকারী হাসপাতালটির প্রধান সহকারী ইউনূস আলী প্রায় ২২ বছর এবং মুক্তিযোদ্ধা কোটায় নিয়োগ প্রাপ্ত উচ্চমান সহকারী আক্তারুজ্জামান ১২বছর ধরে একই কর্মস্থলে আছেন। বিগত ফ্যাসিষ্ট আমল থেকে এখন পর্যন্ত তাদের দাপটে ডাক্তার নার্স সহ অন্যান্য কর্মচারী তাদের অন্যায়ের বিরুদ্ধচারন করলেই পরতে হয় নানা রকম রোষানলে। সে সাথে হাসপাতালের অনৈতিক কর্মকান্ড ও অনিয়ম তাদের জন্য নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপারের পরিণত হয়েছে।

কুড়িগ্রাম সদরের ২৫০ শয্যা হাসপাতালটিতে প্রায় নার্স সহ ২০০ জন কর্মচারী রয়েছে। এদের প্রায় প্রতিদিনই কোন না কোন বদলী যোগদান চলমান থাকে। এ ক্ষেত্রে ইউনুছ আলী ও আকতারুজ্জামান সিনিয়র স্টাফ নার্সদের ছাড়পত্র প্রদানে ও যোগদানে প্রকাশ্যে ১০ হাজার টাকা ছাড়া কাজ করেন না। মেডিকেল এসিস্টেন্ট ইর্ন্টানশিপ এর জন্য প্রত্যেকের কাছ থেকে ১০ হাজার টাকা জোরপূর্বক আদায় করে আসছেন। এ ছাড়া ১ শত ৫০ জন সিনিয়র ষ্টাফ নার্সদের প্রতিমাসে বিল করার নামে ৪ শত টাকা, শ্রান্তি বিনোদনের জন্য প্রতিজনের ৪ হাজার টাকার, সাধারন ছুটিতে গেলে ২ শত টাকা , মাতৃত্ব ছুটিতে গেলে ৫ হাজার টাকা, হাসপাতাল কেবিনে ভর্তি ও রুগির রশিদ বাবদ টাকার গড়মিল দেখিয়ে অর্থ আত্বসাৎ এর ঘটনা অহরহ। তাদের কাছে সংরক্ষিত থাকার সুবাদে মেডিকেল সার্টিফিকেটের গোপনীয়তা লঙ্ঘন ও অর্থের বিনিময়ে দীর্ঘদিন আটকে রাখেন। এ ছাড়াও গভীর রাত পর্যন্ত হাসপাতালে অবস্থান করে অনৈতিক কর্মকান্ডে লিপ্ত থাকেন । এ ব্যাপারে ইতিপূর্বে তাদের দুজনের বিরুদ্ধে একাধিক বার ভুক্তভোগীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কে অভিযোগ করেও কাজের কাজতো হয়নি উপরোন্ত অভিযোগকারীদের বিরুদ্ধে বিগত সরকার ও এখনও ভয় দেখিয়ে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

এ ব্যাপারের ইউনুস আলী ও আকতারুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তাদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ এর ব্যাপারে কোন কথা বলতে তারা রাজি হননি।

হাসপাতালে তত্ত¦াবধায়ক ডাঃ নুর নেওয়াজ আহম্মেদ এর সাথে এ ব্যাপারে মোবাইলে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান আমি নতুন এসেছি। বিষয়টি তেমন জানি না। অবগত হলে উদ্ধর্তন কতৃপক্ষকে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ জানাবো।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর