রাজারহাটে লাঠিয়ালের পাঠ সার্বজনীন মহাদেব মন্দিরে মহাদেব পূজা ও মিলন মেলা অনুষ্ঠিত
প্রহলাদ মন্ডল সৈকত:
কুড়িগ্রামের রাজারহাটে লাঠিয়ালের পাঠ সার্বজনীন মহাদেব মন্দিরে মহাদেব পূজা হাজারো ভক্তের মিলন মেলায় পরিনত হয়েছে।
বুধবার(১৪জানুয়ারী) সনাতন ধর্মাবলম্বীদের পৌষ সংক্রান্ত তীথিতে উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরেরবাড়ি গ্রামের লাঠিয়ালের পাঠ নামক স্থানে এ পূজায় হাজার হাজার পূর্ণার্থী ভক্ত অংশ গ্রহন করেন। বুধবার ভোর থেকে পূজারীরা এখানে আসা শুরু করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত এখানে মহাদেব পূজার পূস্পাঞ্জলী, প্রসাদ বিতরণ ও মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
পূজার আশপাশে ‘হর হর মহাদেব’ ধ্বনি উচ্চারিত হয়, শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভক্তরা। পূজারী ও পূর্ণার্থীরা জানান, মূলত এখানে ছোট ছোট লাঠির বোঝা কাঁদে করে নিয়ে আসা হয়। অনেকে মোমবাতি প্রজ্জ্বলন করেন। আবার অনেকে বিচি কলা,দুধ-দই চিড়া নিয়ে আসেন। সবমিলে জাঁকজমকভাবে পূজা ও মেলায় অংশ গ্রহন করেন সনাতন হিন্দুসহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষজন। অনেকে মানত করে মনোবাসনা পূর্ণ হয়েছে বলে জানিয়েছেন।
লাঠিয়ালের পাঠ সার্বজনীন মহাদেব মন্দিরের সভাপতি অধির চন্দ্র রায় বলেন, কোন যুগ থেকে এখানে মহাদেব পূজা শুরু হয়েছে কেউ জানে না। প্রতিবছর পৌষ সংক্রান্তিতে সনাতন ধর্মাবলম্বী নারী-পুরুষ এসে এখানে লাঠির বোঝা দিয়ে পূজা করতেন। ধীরে ধীরে হাজারো মানুষের পদচারনা ঘটে এখানে। মানুষের সমাগমে এই দিনে এখানে মিলন মেলায় পরিনত হয়। আজো তার ব্যতয় ঘটেনি। সংকীর্ণ জায়গায় কুড়িগ্রাম-রংপুর আরকে রোডের পাশে সেলিম নগর বাজারের পশ্চিমে এখানে মহাদেব মন্দির করা হয়েছে। মন্দিরের সংষ্কারের কাজ চলমান রয়েছে। সরকার ও বিত্তবানরা এগিয়ে এলে দ্রুত কাজ শেষ করা সম্ভব হবে। তবে বিস্তৃত জায়গা হলে এখানে লাখো মানুষের সমাগম ঘটত।
তিনি আরও বলেন, আগে ২/বস্তার চাল ডাল দিয়ে খিঁচুরি হতো। আজ এখানে ৫’শ বস্তার চাল-ডালের খিঁচুরিও থাকছে না। মেলায় আসা সকল ধর্মের মানুষ এ খিঁচুরি গ্রহন করছেন।
পূজা কমিটির সভাপতি সন্তোষ কুমার পাটোয়ারী বলেন, পূজায় সার্বিক নিরাপত্তার জন্য গ্রাম পুলিশ ও স্বেচ্ছাসেবক দল রয়েছে। পাশাপাশি রাজারহাট ও লালমরিহাট পুলিশ আমাদের সহযোগীতা করে আসছেন।#০১৭১৯০২৬৭০০









Chief Editor-Dipali Rani Roy