শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
চলতি বছরের চুক্তিতে থাকা ক্রিকেটারদের তালিকা প্রকাশ করলো বিসিবি ঈদের আগেই ফ্যামিলি কার্ড চালু করা হবে জানালো দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী দুলু স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে দুর্নীতি ও সিন্ডিকেট মুক্ত গড়ে তোলা হবে বললো বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী বাংলাদেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে মাদক, সন্ত্রাস ও ইভটিজিংমুক্ত করা হবে বললো শিক্ষামন্ত্রী আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন জামায়াত আমির দলীয় শুদ্ধিকরণে প্রাধান্য দিন—অন্যথায় দেশবাসী হতাশ হবে: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে টিআইবি তারেক রহমানকে মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর অভিনন্দন বিশ্বের সব ভাষাভাষী মানুষ ও জাতিগোষ্ঠীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর বাজারে বেড়েছে মাছ-সবজির দাম, মুরগিতে কিছুটা স্বস্তি ১০ দিনের সময় ট্রাম্পের, পাল্টা হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন:

মুক্তিপণ দিয়ে ছাড়া পেয়েছে অপহৃত ১৪ জেলে, এখনো জিম্মি ৬ জন

প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬


সংবাদদাতা, সাতক্ষীরা :

সুন্দরবনে মৎস্য শিকারে গিয়ে বনদস্যুদের কাছে অপহৃত হন ১৪ জন জেলে। তবে মুক্তিপণের টাকা দিতে না পারায় এখনো জিম্মি করে রাখা হয়েছে ছয়জন জেলেকে। মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) মুক্তিপণ পরিশোধ করে বিভিন্ন সময়ে তারা লোকালয়ে পৌঁছেছেন।

ফিরে আসা জেলেরা জানান, আট সদস্যের জলদস্যু দলটি নিজেদের ডন বাহিনী পরিচয় দিয়ে মুক্তিপণের দাবিতে তাদের জিম্মি করেছিল। তারা জনপ্রতি ২৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত মুক্তিপণ আদায় করেছে।

ফিরে আসা জেলেদের মধ্যে ইব্রাহিম ৪০ হাজার, দিলীপ ৪০ হাজার, উজ্জ্বল ৪০ হাজার এবং আইয়ুব আলী, আশিকুর ও হাফিজুর ২৫ হাজার টাকা করে মুক্তিপণ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

জেলেদের অভিযোগ, মুন্সিগঞ্জের মৌখালী গ্রামের সফিকুল ওরফে ‘ভেটো সফিকুল’ এবং আটিরউপর গ্রামের শাহাজান এ দস্যু দলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। মুক্তিপণ কম দেওয়ায় রাজেত আলী নামের এক জেলেকে ছাড়া হয়নি। এছাড়া মীরগাং গ্রামের মুজিবুর ও হরিনগর গ্রামের নজরুল ইসলামসহ ছয়জন জেলে এখনো দস্যুদের জিম্মায় রয়েছেন।

বন বিভাগ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত ১৪ জানুয়ারি সাতক্ষীরা রেঞ্জের কদমতলা স্টেশন থেকে অনুমতিপত্র (পাস) নিয়ে এসব জেলে সুন্দরবনে মাছ ধরতে গিয়েছিলেন। গত ২২ জানুয়ারি রাতে বন বিভাগের আওতাধীন মামুন্দো, চুনকুড়ি ও মালঞ্চ নদীসহ কলাগাছিয়া খাল থেকে অস্ত্রের মুখে তাদের অপহরণ করে জলদস্যুরা। অপহরণের পর একটি বিকাশ নম্বর দিয়ে দস্যুরা মুক্তিপণের টাকা দাবি করে।

সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন কর্মকর্তা ফজলুল হক জানান, কয়েকদিন আগে অপহরণের খবর পাওয়ার পরপর আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছিল। ১৪ জন জেলে মুক্তি পাওয়ার বিষয়টি স্থানীয়দের মাধ্যমে জানতে পেরেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর