শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন:

উলিপুরে শিক্ষকদের অভিযোগে তদন্ত শুরু

প্রকাশের সময়: বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

সংবাদদাতা, উলিপুর (কুড়িগ্রাম):

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর-এর নির্দেশনা অনুযায়ী সহকারী শিক্ষা অফিসার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস লালমনিরহাট অভিযোগের প্রেক্ষিতে আনুষ্ঠানিক তদন্ত কার্যক্রম শুরু করেন। জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, লালমনিরহাট কার্যালয়ের স্মারক নং-জেপ্রাশিঅ/লাল/২০২৬/১৯০৫(৬), তারিখ ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ অনুযায়ী এ তদন্তের উদ্যোগ নেওয়া হয়।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, তাপসী বাবেয়া, সহকারী শিক্ষক, দাঁডার পাড় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উলিপুর, কুড়িগ্রাম এবং মোঃ আশরাফুল আলম মিয়া, সহকারী শিক্ষক, নেফড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, উলিপুর, কুড়িগ্রাম উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রস্তাব ও অনিয়মের লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগে বিভিন্ন প্রশাসনিক ও আর্থিক অনিয়মের বিষয় উত্থাপন করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়।

স্মারকে উল্লেখ করা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের স্মারক নং-৩৮.০১.০০০.৩০০.২৭.৬৭.২৫-০৫, তারিখ: ০৫/০২/২০১৬ খ্রিষ্টাব্দ-এর নির্দেশনার আলোকে অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্তের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সে অনুযায়ী ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ, সকাল ১১.০০ ঘটিকায় উপজেলা শিক্ষা অফিস, উলিপুর, কুড়িগ্রামে তদন্ত অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয় ।

তদন্তে সংশ্লিষ্ট পক্ষ উপস্থিত থেকে বক্তব্য প্রদান ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেন। তদন্ত কমিটি অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নথিপত্র পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করবে বলে জানা গেছে।

তদন্ত চলাকালীন সময়ে তদন্ত কক্ষের বাহিরে অনেক শিক্ষকসহ বহিরাগত কিছু লোক দেখা গেছে হট্রগোল করতে। এসময় অভিযুক্ত হাবিবুর রহমান অভিযোগকারীকে বিভিন্ন হুমকি প্রদান করার কথা জানান একাধিক শিক্ষক । পরে অভিযোগকারী মোঃ আশরাফুল আলম মিয়া বিভিন্ন হুমকি বিষয়টি তদন্ত কর্মকর্তাকে অবগত করান সেসময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নার্গিস ফাতিমা তোকদার উপস্থিত ছিলেন।

তদন্ত কর্মকর্তা সহকারী জেলা শিক্ষা অফিসার মো. তাজুল ইসলাম মন্ডল জানান, এই তদন্ত বিষয়ে এখন কিছু বলা যাচ্ছে না তবে তিনি বলেন অভিযোগের সত্যতা যাচাই, নথিপত্র পর্যালোচনা এবং সংশ্লিষ্টদের সাক্ষ্য গ্রহণের মাধ্যমে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন প্রস্তুত করে অধিদপ্তরে পাঠানো হবে।একই সঙ্গে তদন্ত প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করার বিষয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

এ ঘটনায় শিক্ষক মহল ও স্থানীয় শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। তদন্তের ফলাফলের দিকে এখন সবার নজর।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর