শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ জানালো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধস্তন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’: ডা. জাহেদ বৈদ্যেরবাজারে তরুনের অভিযান গ্রন্থাগারের বাংলা নববর্ষ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রায় হাজারও মানুষের ঢল BTCL জিপন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফ্রি রাউটারসহ সংযোগ নেওয়ার নিয়ম(অনলাইন আবেদন) দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেলো স্কুল পোশাক ও ব্যাগ
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

প্রকাশের সময়: রবিবার, ৫ এপ্রিল, ২০২৬

সরকারি চাকরিতে প্রবেশসীমা ৩২ বছর
নিজস্ব প্রতিবেদক:

সরকারি চাকরিতে প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়সসীমা বাড়িয়ে ৩২ বছর নির্ধারণ করে জাতীয় সংসদে একটি বিল পাস হয়েছে। এর ফলে বিসিএসসহ সব সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও সংবিধিবদ্ধ প্রতিষ্ঠানে সরাসরি নিয়োগে নতুন এই বয়সসীমা কার্যকর হবে। দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে নেওয়া এই সিদ্ধান্তে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন চাকরিপ্রার্থীরা।

রোববার (০৫ এপ্রিল) বিকেলে সংসদ অধিবেশনে ‘সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, সংবিধিবদ্ধ সরকারি কর্তৃপক্ষ, পাবলিক নন-ফাইন্যান্সিয়াল কর্পোরেশনসহ স্ব-শাসিত সংস্থাগুলোতে সরাসরি নিয়োগের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা নির্ধারণ বিল, ২০২৬’ উত্থাপন করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। পরে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।-খবর তোলপাড়।

নতুন আইনে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের সব ক্যাডার এবং বিসিএস বহির্ভূত সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। আগে যেসব পদে বয়সসীমা ৩০ বা অনূর্ধ্ব ৩২ ছিল, সেগুলোতেও এখন থেকে ৩২ বছর প্রযোজ্য হবে। তবে যেসব পদে আগে থেকেই ৩২ বছরের বেশি বয়সসীমা নির্ধারিত আছে, যেমন ৩৫, ৪০ বা ৪৫ বছর, সেগুলো অপরিবর্তিত থাকবে। প্রতিরক্ষা ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়োগ তাদের নিজস্ব বিধিমালার আওতায় চলবে।

বিলের উদ্দেশ্য ব্যাখ্যা করতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং শ্রমবাজারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।” তিনি জানান, ২০২৪ ও ২০২৫ সালে জারি করা সংশ্লিষ্ট অধ্যাদেশ বাতিল করে স্থায়ী আইনি কাঠামো গড়তেই এই বিল আনা হয়েছে।

এ ছাড়া আগের অধ্যাদেশে কিছু কারিগরি অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছিল বলে উল্লেখ করা হয়। বিশেষ করে কিছু বিশেষায়িত পদে বয়সসীমা কমে যাওয়ার বিষয়টি নতুন আইনের মাধ্যমে সংশোধন করা হয়েছে। ফলে আগের উচ্চতর বয়সসীমা বহাল রেখে সুযোগ সংকোচনের আশঙ্কা দূর হয়েছে।

এই সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, বয়সসীমা বাড়ানোর ফলে উচ্চশিক্ষা শেষ করে প্রতিযোগিতায় নামার জন্য তরুণরা আরও সময় পাবে, যা সামগ্রিকভাবে কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রকে আরও অন্তর্ভুক্তিমূলক করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর