শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতাই সমৃদ্ধ বাংলাদেশের পথ জানালো বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী অধস্তন আদালতে ৪০ লাখের বেশি মামলা মব জাস্টিসে ‘জিরো টলারেন্স’: ডা. জাহেদ বৈদ্যেরবাজারে তরুনের অভিযান গ্রন্থাগারের বাংলা নববর্ষ উদযাপন বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপন, আনন্দ শোভাযাত্রায় হাজারও মানুষের ঢল BTCL জিপন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ফ্রি রাউটারসহ সংযোগ নেওয়ার নিয়ম(অনলাইন আবেদন) দেশবাসীকে নববর্ষের শুভেচ্ছা জানালেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী সুবিধাবঞ্চিত শিশুরা পেলো স্কুল পোশাক ও ব্যাগ
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে প্রতিবন্ধী সাবলু মাংস বিক্রি করে ঘুরে দাঁড়াতে চান

প্রকাশের সময়: শুক্রবার, ১০ এপ্রিল, ২০২৬

পিএম সৈকত:

কুড়িগ্রামের রাজারহাটে ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে আত্মমর্যাদার পথে হাঁটলেন শারীরিকভাবে অক্ষম এক যুবক। তিনি উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের চাকিরপশার তালুক গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে সাবলু (৪৫)। নিজের সংগ্রাম আর ইচ্ছাশক্তি দিয়ে আবারও জীবিকা নির্বাহের পথে ফিরেছেন তিনি। জানা যায়, সাবলু একসময় খাসি ছাগল কেটে মাংস বিক্রি করেই সংসার চালাতেন। কিন্তু হঠাৎ ব্রেইন স্ট্রোক করে তার বাম হাত ও পা প্যারালাইজড হয়ে যায়। এতে তিনি কর্মক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন এবং পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী হওয়ায় নেমে আসে চরম সংকট। বাধ্য হয়ে তিনি বেছে নেন ভিক্ষাবৃত্তি।

পরবর্তীতে বিষয়টি রাজারহাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল ইমরানের নজরে এলে তিনি সমাজসেবা অধিদপ্তরের সহযোগিতায় সাবলুকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ নেন। প্রথমে তাকে একটি ভ্যারাইটিস স্টোর করে দেওয়া হলেও লোকসানের কারণে সেটি টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয়নি।

এরই মধ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে চিকিৎসার জন্য ৫০ হাজার টাকা সহায়তা পান সাবলু। সেই অর্থ দিয়েই তিনি নতুন করে উদ্যোগ নেন। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকাল থেকে রাজারহাট বাজারের ফুলখাঁর চাকলা সড়কের পাশে বসে আবারও খাসির মাংস বিক্রি শুরু করেন তিনি। শারীরিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও তার অদম্য মনোবল এলাকাবাসীকে মুগ্ধ করেছে। অনেকেই তার কাছ থেকে মাংস কিনে তাকে উৎসাহ যুগিয়েছেন।

এ বিষয়ে সাবলু বলেন, “ভিক্ষা করা ভালো নয়। মানুষ সামনে সহানুভূতি দেখালেও আড়ালে সমালোচনা করে। তাই ভিক্ষা ছেড়ে দিয়েছি। এখন মাংস বিক্রি করে সৎভাবে সংসার চালাতে চাই।”

তিনি আরও জানান, শারীরিক অক্ষমতার কারণে নিজে খাসি জবাই করতে পারেন না। তাই অন্যের মাধ্যমে জবাই করিয়ে মাংস প্রস্তুত করে বিক্রি করছেন।
সচেতনমহল মনে করছেন, যথাযথ সহায়তা ও সমাজের সহযোগিতা পেলে সাবলুর মতো অনেকেই ভিক্ষাবৃত্তি ছেড়ে স্বাবলম্বী হতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর