সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছি’ বিলের পানিতে ভাসছে কাউন্সিলরের মরদেহ ইজিবাইক চালককে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিল কোটা আন্দোলনকারীরা একইদিনে বাংলাদেশে মুক্তি ‘পদাতিক’ ট্রাম্পের হামলাকারী কে এই যুবক? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কারাগার ভেঙে পালানোর চেষ্টাকালে বন্দুকযুদ্ধ ,নিহত ৮ জঙ্গিবাদ থামিয়েছি, এখন দুর্নীতিবাজদের ধরছি জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোন দুর্যোগ মূহুর্তে র‌্যাব সবসময় বন্ধু হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রামে জানিয়েছে র‌্যাব মহাপরিচালক

উলিপুরে শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহনের অভিযোগ

রিপোর্টারের নাম / ১১৮ টাইম ভিউ
Update : সোমবার, ৮ জুলাই, ২০২৪

এম এইচ শাহীন, উলিপুর (কুড়িগ্রাম):

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে উৎকোচ গ্রহণ করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। অভিযোগে জানা যায়, কয়েক বছর আগে উপজেলার যাদু পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাব উদ্দিন ও তার লোকজন মিলে প্রতিবেশী এক বিড়ি শ্রমিককে পুর্ব শত্রুতার জের নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় নিহতের পরিবার মামলা করলে যাদু পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাব উদ্দিন ও তার স্ত্রী কাশিয়া গাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজা বেগম জেল হাজতে গেলে শিক্ষা অফিস তাদেরকে সাময়িক বরখাস্ত করে। সাময়িক বরখাস্ত প্রত্যাহারের কিছু দিন পর যাদু পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অবসর গ্রহণ করলে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদটি শূন্য হয়।এ দিকে কাশিয়া গাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মাহফুজা বেগম তার বাড়ির সন্নিকটে যাদু পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৯ মে ২৪খ্রিঃবদলীর আদেশ বলে গত ৬ জুন ২৪খ্রিঃ পুর্বের কর্মস্থলে দায়িত্ব হস্তান্তর পূর্বক ওই দিনই সকাল ৯টায় যাদু পোদ্দার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগদান করেছেন বলে জানা যায়।

প্রধান শিক্ষক মাহফুজা বেগম জানান, তার বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহারের পর বকেয়া বেতন ভাতা প্রদানের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিসার আমির হোসেন ও অফিস সহকারী কম্পিউটার অপারেটর হাবিবুর রহমান আমার নিকট ২৫ হাজার টাকা উৎকোচ দাবি করেন। দাবি কৃত টাকা পরিশোধ করলে আমার যাবতীয় বকেয়া বেতন ভাতা প্রদান করেন।

দাবি কৃত টাকা কাকে দিয়েছেন কি ভাবে দিয়েছেন জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক মাহফুজা বেগম বলেন,এ টাকা আমি কাউকে দেইনি, আমার স্বামী দিয়েছে।

এ ব্যাপারে শিক্ষা অফিস আমির হোসেন এর সাথে কথা হলে তিনি জানান, আমার চাকরি শেষ একটি কুচক্রীয় মহল আমার মান সম্মান ক্ষুন্য করতে এ মিথ্যা অভিযোগ করেছে। আমি কি আমার অফিস সহকারী কম্পিউটার অপারেটর হাবিবুর রহমান কোন প্রকার উৎকোচ গ্রহন করেন নাই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর