শনিবার, ১৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
হরমুজ প্রণালী ‘সম্পূর্ণ উন্মুক্ত’, জানালেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী চরাঞ্চলেসহ প্রত্যন্ত এলাকায় ডিজেল সংকটে ব্যহত হচ্ছে কৃষি সেচ কার্যক্রম সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর অনুরোধ খতিয়ে দেখছে ভারত ১৫ বছর পর ওয়ানডে খেলতে বাংলাদেশে আসছে অস্ট্রেলিয়া বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানোর প্রস্তাব নকল বন্ধে এসএসসির রুটিন না দেওয়ার খবর সঠিক নয় বাংলাদেশে হামের টিকার সংকট নেই, ২০ এপ্রিল থেকে টিকাদান কর্মসূচি ইন্দোনেশিয়ায় হেলিকপ্টার বিধ্বস্ত হয়ে চালকসহ সব যাত্রীর মৃত্যু ! স্বাধীনতা পুরস্কার-২০২৬ প্রদান, সম্মাননা পেল ১৫ ব্যক্তিসহ ৫ প্রতিষ্ঠান প্রধান শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা ১৮ এপ্রিলই
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

পিরোজপুরে শিক্ষক নেতৃবৃন্দের স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ও ৯ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন ও মত বিনিময় সভা

প্রকাশের সময়: সোমবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৫


সংবাদদাতা, পিরোজপুর:

শিক্ষাকতা পেশা: মিলিত প্রচেষ্টার দীপ্তি এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৫ উপলক্ষে “মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়ন ও শিক্ষকবৃন্দের ৫ দফা দাবি বাস্তবায়ন” শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার বিকেল ৩টায় পিরোজপুর সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাকক্ষে এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ইদ্রিস আলী আজিজি। সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বাবর তালুকদার।

অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন নাজিরপুর উপজেলার পুখরিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এনায়েত কবির, ইন্দুরকানী উপজেলার সেতারা সোবহান মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাবেরা ইসলাম, পিরোজপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক মনি মোহন হালদার, শিক্ষক নেতা এমাদুল হক,সহ জেলার বিভিন্ন উপজেলার সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, সিনিয়র ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।

সভায় বক্তারা মাধ্যমিক শিক্ষকদের ৫ দফা দাবি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

শিক্ষকবৃন্দের ৫ দফা দাবিগুলো হলো স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা। সরকারি মাধ্যমিকের সহকারী শিক্ষকের এন্ট্রি পদ ৯ম গ্রেডে উন্নীত করে ৪ স্তরীয় পদসোপান প্রবর্তন। আঞ্চলিক উপপরিচালকের প্রশাসনিক ও আর্থিক ক্ষমতা সংরক্ষণসহ মাধ্যমিক শিক্ষা কার্যালয়ের স্বাতন্ত্র্য ও মর্যাদা রক্ষা। বিদ্যালয় ও পরিদর্শন শাখার শূন্যপদে দ্রুত নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন সম্পন্ন করা। বকেয়া সিলেকশন গ্রেড ও টাইমস্কেল মঞ্জুরের আদেশ প্রদান।

বক্তারা বলেন, বর্তমানে প্রায় ২২ হাজার মাধ্যমিক শিক্ষকের জন্য মওশি’তে (মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর) মাত্র তিনজন কর্মকর্তা নিয়োজিত আছেন, যার সর্বোচ্চ পদ পরিচালক। ফলে শিক্ষক সমাজের ন্যায্য দাবি ও সমস্যা যথাযথভাবে মূল্যায়ন হচ্ছে না।

অন্যদিকে, মাত্র ৮ হাজার কলেজ শিক্ষকের জন্য ৭৮ জন কর্মকর্তা নিয়োজিত যা “বৈষম্যহীন বাংলাদেশের” ধারণার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

বক্তারা আশা প্রকাশ করেন, শিক্ষকদের এই যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে মাধ্যমিক শিক্ষার মানোন্নয়নসহ শিক্ষক সমাজের মর্যাদা আরও সুদৃঢ় হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর