প্রত্যাহার হলো ৩০৫, লড়াইয়ে ১৯৬৭ প্রতীক নিয়ে এবার মাঠে নামছেন প্রার্থীরা
সারা বাংলাদেশে প্রতীক নিয়ে চূড়ান্ত লড়াইয়ে মাঠে নামছেন ১ হাজার ৯৬৭ প্রার্থী। বাছাইয়ে বৈধ প্রার্থী ছিল ১ হাজার ৮৫৮। এর মধ্যে প্রার্থিতা ফিরে পেয়েছেন ৪৩১ জন। এ ছাড়া ৩০৫ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন। বাতিল মনোনয়নপত্রের সংখ্যা ৭২৬। আপিল দাখিল করেন ৬৩৯ জন।
গতকাল প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে জোটের কারণে ভোট থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন অনেক প্রার্থী। সমর্থন দিয়েছেন জোটের অন্য প্রার্থীকে। বিএনপি নেতারা যাঁরা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে ছিলেন তাঁদের অনেকেই সরে দাঁড়িয়ে নিজ দলের প্রার্থীকে সমর্থন দিয়েছেন। আজ প্রার্থীদের মাঝে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আগামীকাল থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে ভোট প্রচারে নামবেন প্রার্থীরা। আর মাত্র তিন সপ্তাহ পরেই বহুল প্রত্যাশিত জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।-খবর তোলপাড়।
ঢাকা বিভাগের ২০ সংসদীয় আসনে ২৭ জনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকার ২০টি সংসদীয় আসনে মোট ২৭ জন প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি), আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), বাংলাদেশ লেবার পার্টি, খেলাফত মজলিস, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি এবং গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থীরা রয়েছেন। তবে এসব আসন থেকে কোনো স্বতন্ত্র প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি।
গতকাল বিকালে ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। নির্বাচনসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যেই এসব আবেদন গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট আসনগুলোর প্রার্থী তালিকা হালনাগাদ করা হয়েছে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারী বেশ কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, জোটের আসনভিত্তিক সমঝোতা ও নির্বাচনি কৌশলের অংশ হিসাবে এসব আসন থেকে তাঁরা প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
প্রার্থিতা প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে রয়েছেন ঢাকা-৫ আসন থেকে বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মোখলেছুর রহমান কাছেমী, আমার বাংলাদেশ পার্টির লুৎফর রহমান, এনসিপির এস এম শাহরিয়া এবং বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের আতিকুর রহমান নান্নু মুন্সি।
এ ছাড়া ঢাকা-৬ আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন এবি পার্টির গাজী নাসির। এ ছাড়া ঢাকা-৭ আসন থেকে এনসিপি তারেক আহমেদ আদেল, ঢাকা-৯ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের ফয়েজ বকস সরকার, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী কবির আহমদ, ঢাকা-১০ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের আহমদ আলী এবং জেএসডির সৈয়দ বেলায়েত হোসেন বেলাল, ঢাকা-১২ আসন থেকে বাংলাদেশ লেবার পার্টির মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান, ঢাকা-১৬ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আহসানউল্লাহ এবং খেলাফত মজলিসের প্রার্থী রিফাত হোসেন মালিক প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।
ঢাকা-১৭ আসন থেকে প্রত্যাহার করেছেন খেলাফত মজলিসের প্রার্থী এমদাদুল হক। আর ঢাকা-১৮ আসন থেকে গণসংহতি আন্দোলনের প্রার্থী বিলকিস নাসিমা রহমান, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মুহম্মদ আশরাফুল হক, লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) মফিজুল ইসলাম, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী সাইফ উদ্দিন আহমদ খন্দকার, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ নেয়ামতুল্লাহ (আমীন) তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
এদিকে ঢাকা-৮ আসনে কেউ প্রার্থিতা প্রাত্যাহার না করায় বৈধ ১১ জন প্রার্থীই নির্বাচনি মাঠে থেকে যাচ্ছেন। তাঁরা হলেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) এ এইচ এম রাফিকুজ্জামান আকন্দ, বাংলাদেশ জাসদের এ এফ এম ইসমাইল চৌধুরী, বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের এস এম সরওয়ার, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির ত্রিদ্বীপ কুমার সাহা, বিএনপির মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ, এনসিপির মুহাম্মাদ নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী, গণঅধিকার পরিষদের মেঘনা আলম, জনতার দলের গোলাম সারোয়ার, জাতীয় পার্টির জুবের আলম খান এবং বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের রাসেল কবির।
এদিকে ঢাকা-৯ আসনে মোট বৈধ প্রার্থী ছিল ১৪ জন। এর মধ্যে দুইজন প্রত্যাহার করায় এই আসনে এখন চূড়ান্ত প্রার্থীসংখ্যা ১২ জন। তাঁরা হলেন জাতীয় পার্টির কাজী আবুল খায়ের, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) খন্দকার মিজানুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী তাসনিম জারা, গণফোরামের নাজমা আক্তার, ইনসানিয়াত বিপ্লব বাংলাদেশের নাহিদ হোসেন চৌধুরী জুনায়েদ, বাংলাদেশ মুসলিম লীগের মাসুদ হোসেন, এনসিপির মোহাম্মদ জাবেদ মিয়া, বাংলাদেশ ন্যাশনালিস্ট ফ্রন্টের (বিএনএফ) মোহাম্মদ শফি উল্লাহ চৌধুরী, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির মনিরুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শাহ ইফতেখার আহসান, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির শাহীন খান এবং বিএনপির হাবিবুর রশীদ।
ঢাকা-১০ আসনে বৈধ প্রার্থী ছিলেন ১১ জন। দুইজন প্রত্যাহার করায় এই আসনে এখন মোট প্রার্থী রয়েছেন ৯ জন। তাঁরা হলেন আমজনতার দলের আবদুল্লাহ আল হুসাইন, বাংলাদেশ লেবার পার্টির আবুল কালাম আজাদ, এবি পার্টির নাসরীন সুলতানা, জাতীয় পার্টির বহ্নি বেপারী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আ. আউয়াল, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের আনিছুর রহমান, বাংলাদেশ জমায়াতে ইসলামীর জসীম উদ্দিন সরকার, জনতার দলের জাকির হোসেন এবং বিএনপির শেখ রবিউল আলম। ঢাকা-১১ আসনের কেউ প্রার্থিতা প্রাত্যাহার না করায় বৈধ প্রার্থী ৯ জনই চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকায় রয়েছেন। তাঁরা হলেন বিএনপির এম এ কাইয়ুম, বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোটের কাজী মো. শহীদুল্লাহ, গণফোরামের আবদুল কাদের, গণঅধিকার পরিষদের আরিফুর রহমান, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির জাকির হোসেন, এনসিপির মো. নাহিদ ইসলাম, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির মিজানুর রহমান, জাতীয় পার্টির শামীম আহমেদ এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের শেখ মো. ফজলে বারী মাসউদ।
ঢাকা-১৪ আসনের কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার না করায় ১২ জন বৈধ প্রার্থীই রয়েছেন ভোটের মাঠে। তাঁরা হলেন জেএসডির নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামীর মীর আহসান বিন কাসেম, এবি পার্টির মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মো. আবু ইউসুফ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির ওসমান আলী, গণফোরামের জসিম উদ্দিন, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টির মো. লিটন, এলডিপির সোহেল রানা, জাতীয় পার্টির হেলাল উদ্দিন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির রিয়াজ উদ্দিন, বিএনপির সানজিদা ইসলাম এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন সৈয়দ আবু বকর সিদ্দিক।
বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে ৩৮ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ : বগুড়ার ৭টি সংসদীয় আসনে ৩৮ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। এ ছাড়া মৃত্যুজনিত কারণে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দাখিল করা মনোনয়নপত্রের কার্যক্রম সমাপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে।
খুলনার ৬টি আসনে ৫ জনের প্রত্যাহার, বৈধ প্রার্থী ৩৮ : খুলনার ৬টি আসনে মোট বৈধ প্রার্থী ছিলেন ৪৩ জন। তার মধ্যে প্রত্যাহারের শেষ দিন গতকাল ৫ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। এর ফলে ৬টি আসনে ৩৮ জন বৈধ প্রার্থী নির্বাচনি দৌড়ে টিকে থাকলেন।
চট্টগ্রামের ১৬ আসনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন ১২ প্রার্থী : চট্টগ্রামের ১৬ আসনের মধ্যে ১০টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের ১২ জন প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। চট্টগ্রাম-১, ৩, ৪, ১০, ১৪, ১৫ আসনে কেউ প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। সব শেষ ১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ১১১ জনে।
বাগেরহাটে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার ৬ প্রার্থীর : বাগেরহাটের ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ৩টি আসন থেকে মোট ৬ জন প্রার্থী তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তাঁরা হলেন বাগেরহাট-১ আসন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মো. মামুনুল হক। বাগেরহাট-২ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রমিজ উদ্দিন, খেলাফত মজলিসের ইকবাল এবং বাগেরহাট জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি এম এ সালাম। বাগেরহাট-৩ বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. জুলফিকার হোসেন ও এনসিপির মো. রহমাতুল্লাহ। জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের সব কটিতেই বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী রয়েছেন। বাগেরহাটের ভোটের মাঠে এখন ২৩ জন প্রার্থী রয়েছেন।
রাজশাহীতে প্রত্যাহার ৩ জনের, মাঠে থাকলেন ২৯ জন : মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩ জন তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। এর মধ্যে রাজশাহী-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপি নেতা সুলতানুল ইসলাম তারেক, রাজশাহী-২ আসনে এলডিপির মো. ওয়াহেদুজ্জামান ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ফজলুল করিম। বৈধ প্রার্থী ২৯ জন।
বরিশালে মুফতি ফয়জুলের সম্মানে জামায়াত প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার : বরিশাল-৫ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী দলের সিনিয়র নায়েবে আমিরের সম্মানে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুয়াযযম হোসাইন হেলাল। এ ছাড়া বরিশালের ছয়টি আসনে সাতজন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। জামায়াত নেতা মুয়াযযম হোসাইন হেলাল বলেন, আগামী দিনের রাজনীতি সহনশীলতা ও সহমর্মিতা ভ্রাতৃত্বের মধ্য দিয়ে সবার সম্মান ও মর্যাদা সমুন্নত রেখে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে পারি, সেজন্য ১০ দলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বরিশাল-৫ আসনে চরমোনাইর সমর্থনে জামায়াতের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছি। তিনি বলেন, এ আসনে জামায়াত শক্তিশালী। প্রত্যেকটি এলাকায় সংগঠনের শক্তিশালী ভিত রয়েছে। সবাইকে চরমোনাইর প্রার্থীকে সহযোগিতার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত নেতা হেলাল।
মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা অন্য প্রার্থীরা হলেন বরিশাল-২ আসনের বাসদ প্রার্থী মো. তারিকুল ইসলাম ও খেলাফত মজলিসের মুন্সী মোস্তাফিজুর রহমান, বরিশাল-৩ আসনের জাতীয় পার্টির ফখরুল আহসান ও ইকবাল হোসেন তাপস এবং বরিশাল-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের একেএম মাহবুব আলম।
রংপুরে আট প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আট প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। যারা মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন তারা হলেন-রংপুর-১ (গঙ্গাচড়া ও আংশিক সিটি করপোরেশন) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মমিনুর রহমান, এনসিপির আল মামুন, গণঅধিকার পরিষদের হানিফুর রহমান, রংপুর-৩ (সদর ও সিটি করপোরেশন) আসনে খেলাফত মজলিসের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নূর আলম সিদ্দিক, রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আনোয়ার হুসাইন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (বাসদ) মমিনুল ইসলাম, রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান।
গোপালগঞ্জে সাত প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, বৈধ প্রার্থী ২৭ : গোপালগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে সাতজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। চূড়ান্তভাবে ২৭ জন প্রার্থী থাকলেন।
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে জোটগত সমন্বয়ের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আ. আজিজের পক্ষে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী এম এম রেজাউল করিম এবং এনসিপির প্রার্থী মো. আরিফুল দাড়িয়া। গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপির দুজন বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। তারা হলেন বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এম এইচ খান মঞ্জু ও সিরাজুল ইসলাম সিরাজ।
গোপালগঞ্জ-১ আসনে আট, গোপালগঞ্জ-২ আসনে ১১ এবং গোপালগঞ্জ-৩ আসনে আট প্রার্থী চূড়ান্তভাবে নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন।
দিনাজপুরের ছয়টি আসনে পাঁচজনের প্রত্যাহার, বৈধ প্রার্থী ৪০ : দিনাজপুরের ছয়টি আসনে বিভিন্ন দলের পাঁচ প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। তারা হলেন দিনাজপুর-২ আসন থেকে জাতীয় পার্টির (জেপি) সুধীরচন্দ্র শীল, দিনাজপুর-৩ আসনের বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের রেজাউল করিম, দিনাজপুর-৫ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আবদুল কাদের চৌধুরী, জামায়াতের মাওলানা মো. আনোয়ার হোসেন, দিনাজপুর-৬ আসনে এবি পার্টির মো. আবদুল হক।
এদিকে দিনাজপুর-১ আসনে ছয়, দিনাজপুর-২ আসনে আট, দিনাজপুর-৩ আসনে আট, দিনাজপুর-৪ আসনে চার, দিনাজপুর-৫ আসনে সাত এবং দিনাজপুর-৬ আসনে সাতজন মোট ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।
টাঙ্গাইলে আটটি সংসদীয় আসনে জামায়াতসহ ৯ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, বৈধ প্রার্থী ৪৭ : টাঙ্গাইলে আটটি সংসদীয় আসনে জামায়াতসহ ৯ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়াল ৪৭ জনে। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীরা হলেন টাঙ্গাইল-২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের শাকিল উজ্জামান, টাঙ্গাইল-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী হোসনী মোবারক, টাঙ্গাইল-৫ আসনে খেলাফত মজলিসের হাসানাত আল আমীন। টাঙ্গাইল-৬ আসনে গণঅধিকার পরিষদের কবীর হোসেন, স্বতন্ত্র আতিকুর রহমান, শরীফুল ইসলাম। টাঙ্গাইল-৭ আসনে খেলাফত মজলিসের আবু তাহের ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের এ টি এম রেজাউল করিম আলরাজী এবং টাঙ্গাইল-৮ আসনে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী শহীদুল ইসলাম।
গাজীপুরে বৈধ প্রার্থী ৪২ : গাজীপুরের পাঁচটি সংসদীয় আসনে ৪২ জন প্রার্থী বৈধভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতার মাঠে রয়েছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন আট প্রার্থী। তারা হলেন- গাজীপুর-১ আসনে আল আমিন (জাতীয় পার্টি); গাজীপুর-২ মুহাম্মদ হোসেন আলী (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো. সালাহউদ্দিন সরকার (স্বতন্ত্র), আব্বাস ইসলাম খান (এবি পার্টি), খন্দকার রুহুল আমীন (খেলাফত মসলিস); গাজীপুর-৩ মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম (বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী), মো: কৌশিক আহামেদ (এবি পার্টি) এবং গাজীপুর-৫ রুহুল আমিন (বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস)।
রাঙামাটিতে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার : রাঙামাটি-২৯৯ আসন থেকে সরে দাঁড়িয়েছে জামায়াতে ইসলামী। গতকাল বিকালে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেন জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোখতার আহমেদ। এ ছাড়া মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন অন্য কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।
রাজবাড়ীতে প্রত্যাহার ২ : রাজবাড়ী-২ আসন থেকে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন- বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলনা কুতুবুদ্দিন ও জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মো. হারুন অর রশিদ ওরফে হারুন মাস্টার। রাজবাড়ী-১ আসন থেকে কোনো প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি।
হবিগঞ্জে চার প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার, নির্বাচনি মাঠে ২৪ জন : হবিগঞ্জ জেলার চারটি আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হলেন- হবিগঞ্জ-১ (নবীগঞ্জ-বাহুবল) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. শাহজাহান আলী। হবিগঞ্জ-২ (বানিয়াচং-আজমিরীগঞ্জ) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী নোমান বিন সাদিক। হবিগঞ্জ-৩ (সদর, লাখাই, শায়েস্তাগঞ্জ) আসনে গণঅধিকার পরিষদ মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট চৌধুরী আশরাফুল বারী নোমান ও হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) আসনে এবি পার্টি মনোনীত প্রার্থী মোকাম্মেল হোসেন।
লক্ষ্মীপুরে জামায়াত নেতাসহ তিনজনের প্রার্থিতা প্রত্যাহার : লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনের জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ নাজমুল হাসান পাটওয়ারী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। জোটগত কারণে তিনি এনসিপির প্রার্থী মাহবুব আলমকে সমর্থন জানিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেন।
লক্ষ্মীপুরের চারটি আসনে বর্তমানে ২৯ জন প্রার্থী রয়েছেন। লক্ষ্মীপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আবদুর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, তিনজন প্রার্থী তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন।









Chief Editor-Dipali Rani Roy