বৃহস্পতিবার, ০৯ এপ্রিল ২০২৬, ১১:৫৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বুড়াবুড়িহাটের সাড়ে ৩ কোটি টাকার খাস জমি উদ্ধার হরমুজ প্রণালীর বর্তমান প্রেক্ষাপট ও আমাদের করণীয় মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সচেতনতা জরুরি: নওগাঁ পুলিশ সুপার যুদ্ধবিরতির পর ইসরায়েলের হামলায় ধ্বংসস্তূপ লেবানন, নিহত কমপক্ষে ২৫৪ আবু সাঈদ হত্যা মামলায় কার কার কী সাজা হলো শ্রীবরদীতে শেরপুর-৩ আসনের জামায়াত প্রার্থীর সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জন অফিস মিটিংয়ে পছন্দের চেয়ার কোনটি? উত্তরই বলে দেবে কেমন হবে আপনার ব্যক্তিত্ব ভেড়ামারার বাহিরচরে ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত ভেড়ামারায় হতদরিদ্রদের মাঝে ঢেউ টিন, চেক ও স্কুল ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল বিতরণ প্রথমবার মতো পিয়াজের বীজ উৎপাদনে কৃষকের সাফল্য, খুলতে পারে নতুন দিগন্ত
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

মেয়ে অন্তঃসত্ত্বা ঘটনায় সৎবাবা কারাগারে

প্রকাশের সময়: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬


সংবাদদাতা,ময়মনসিংহ:

বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী মেয়ে অন্তঃসত্ত্বার ঘটনায় সৎবাবাকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। শনিবার (৪ এপ্রিল) আদালত জামিন নামঞ্জুর করে অভিযুক্তকে কারাগারে পাঠান। ঘটনাটি ঘটেছে ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার খারুয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে।

স্থানীয় সূত্র ও মামলার এজাহার থেকে জানা যায়, নান্দাইল উপজেলার মোয়াজ্জেমপুর ইউনিয়নের কামালপুর গ্রামের মৃত ইশা ব্যাপারীর ছেলে আবদুল হেকিম (৬৫)।

প্রায় দুই বছর আগে তিনি তৃতীয় বিয়ে করেন খারুয়া ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামের এক বিধবাকে। তার তৃতীয় স্ত্রী দুই সন্তানকে নিয়ে ভিক্ষা করে বসবাস করেন। তার মধ্যে এক মেয়েসন্তান (১৬) বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী। স্বামী আব্দুল হেকিম নিজ গ্রামে আরেক স্ত্রী রেখে তৃতীয় স্ত্রীর দেখাশোনার অজুহাতে প্রায়ই আব্দুল্লাহপুর গ্রামে যান।

সেখানে বাক ও শ্রবণপ্রতিবন্ধী মেয়েকে কাছে নিয়ে বেশ কয়েকবার যৌন হয়রানি করলেও লোকলজ্জার ভয়ে কিছু বলেনি তার তৃতীয় স্ত্রী। প্রতিবাদ করতে গেলে তালাকের হুমকি দিতেন আব্দুল হেকিম। গত কয়েক দিন ধরে মেয়ের শারীরিক অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকলে হাসপাতালে নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানা যায় মেয়ে ৩ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এক পর্যায়ে বাধ্য হয়ে এলাকার লোকজন ও প্রতিবেশীর কাছে নিজের স্বামীর অপকর্মের ঘটনা বলে দেন তিনি।

এ ঘটনা জানার পর গত ৩ এপ্রিল ধর্ষক সৎবাবা আব্দুল হেকিমকে ধরে পুলিশে দেয় স্থানীয়রা। পরে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার পর অভিযুক্ত সৎবাবাকে আদালতে আর ধর্ষণের শিকার মেয়েকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এ বিষয়ে নান্দাইল থানার উপপরিদর্শক মামুন মিয়া জানান, বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী মেয়েটিও ইশারায় তার এই অবস্থার জন্য সৎবাবাকে দায়ী করে। মামলার পর অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর