রাজারহাটে হাফিজিয়া মাদরাসার শিক্ষক কর্তৃক শিশুকন্যা ধর্ষনের চেষ্টায় মামলা
সংবাদদাতা, রাজারহাট (কুড়িগ্রাম):
কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার চাকিরপশার ইউনিয়নের হযরত উম্মে হাবিবা (রা:) বালিকা নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিম ওরফে মামুনের বিরুদ্ধে শিশু কন্যা ছাত্রীকে(১১) যৌন নির্যাতন করায় রাজারহাট থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। অভিযুক্ত শিক্ষক মামুন ওই মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাবিবুর রহমানের শ্যালক। এ ঘটনায় মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষার্থী-অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে এবং চরম ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শনিবার (১৯ অক্টোবর) রাজারহাট থানায় অফিসার ইচার্জ রেজাউল করিম রেজা নিশ্চিত করেছেন।
নির্যাতিতা ও তার পরিবার জানান, গত ৩ সেপ্টেম্বর রাজারহাট সরকারি মীর ইসমাইল হোসেন ডিগ্রী কলেজ মাঠে ওয়াজ মাহফিল চলাকালীন সময় রাত সাড়ে ৮টায় হযরত উম্মে হাবিবা (রা:) বালিকা নূরানী ও হাফিজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মোঃ আব্দুর রহিম ওরফে মামুন যৌন নিযার্তিত শিশু ছাত্রীকে তার রুমে মোবাইলের চার্জার নিয়ে ডাকেন। এসময় সে চার্জার নিয়ে আসলে শিক্ষার্থীকে তার কক্ষে একা পেয়ে জাপটে ধরে এবং শরীরের বিভিন্ন স্পর্শকাতর জায়গায় স্পর্শ করে ও যৌন নিপীড়ন করেন।
এমতবস্থায় ওই ছাত্রী চিৎকার ও কাঁন্নাকাটি করলে তাকে ছেড়ে দেয় মামুন। পরে বিষয়টি ধামাচাপা দিতে যৌন নিযার্তিনের শিকার ওই ছাত্রীকে ভয়ভীতি প্রদর্শণ করে ওই শিক্ষকসহ এক মহিলা শিক্ষিকা। শিশুটির বাবা মা ঢাকায় অবস্থান করায় ওই সময় সে বিষয়টি কাউকে জানাতে পারেনি। গত ১৫ অক্টোবর উক্ত বিষয়টি মোবাইল ফোনে তার মাকে জানায় সে। মেয়ের যৌন নির্যাতনের ঘটনা শুনে নির্যাতিতার মা বাদী হয়ে শুক্রবার(১৮অক্টোবর) রাজারহাট থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
যৌন নির্যাতিতা ছাত্রী ১২পাড়া কোরআনের হাফেজা বলে জানা যায়।
শনিবার (১৯অক্টোবর) রাতে রাজারহাট থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজা বলেন, শিশু যৌন নির্যাতনের ঘটনায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশ আসামি গ্রেফতারে চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।









Chief Editor-Dipali Rani Roy