শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাকিস্তানে অভিযানে ভারতীয় মদদপুষ্ট ২২ সন্ত্রাসী নিহত হরমুজ প্রণালিতে রাশিয়ার জন্য টোল-ফ্রি, সিদ্ধান্ত ইরানের পলাতক ১১ ডিআইজিসহ পুলিশের ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে বন্ধ বাংলাদেশের ৩২ বিদ্যুৎকেন্দ্র, চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াবে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেলেন চিলমারীর জাকির পাকিস্তানে তামা ও স্বর্ণ খনি প্রকল্পে সশস্ত্র হামলা, নিহত কমপক্ষে ১০ আমি ঝালমুড়ি খেলাম, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো টাইগাররা প্রধান শিক্ষকের ভুলে এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারলো না জান্নাতি
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

ফুলবাড়ীতে ৪বছরেও শেষ হয়নি সেতু নির্মানের কাজ বেড়েছে জন দূর্ভোগ

প্রকাশের সময়: বুধবার, ২৫ জুন, ২০২৫

রতি কান্ত রায়:

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খড়িবাড়ি জিসি-খোচাবাড়ি ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন পরিষদের সড়কের তালেরতল জোলের (ছড়া) উপর নির্মিত সেতুটি চার বছরেও নির্মান কাজ সম্পন্ন হয়নি। ফলে জনদূর্ভোগে পড়েছে প্রায় ১০ গ্রামের ২০ হাজার মানুষ। প্রতি দিন-রাতে ছড়াটি পারাপারে ড্রামের ভেলা হচ্ছে একামাত্র ভরশা। জীবনের ঝুকিঁ নিয়ে পারাপারেও ঘটে দূর্ঘটনা।

ফুলবাড়ী উপজেলা প্রকোশলীর কার্যালয় সুত্রে জানা গেছে, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার খড়িবাড়ি জিসি-খোচাবাড়ি ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন পরিষদের সড়কের ৬৭০০ মিটার চেইনেজে ৪২ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণের কাজ শুরু হয় ২০২১ সালের ১৯ এপ্রিল। কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২২ সালের ১৮ এপ্রিল। সেতুটি নির্মাণে প্রাক্কালীন ব্যয় ধরা হয় ৩ কোটি ২৬ লাখ ১৪ হাজার ৩২০ টাকা। কাজটি পায় কুড়িগ্রামের ঘোষপাড়ায় অবস্থিত নুফা- জেডএইচডি-জেভি নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

কাজ শুরুর চার বছরে পেরিয়ে গেলেও ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ব্রীজটি দু’পাড়ে শুধুমাত্র দেয়াল তৈরি করে অন্যান্য কাজ করতে ঢিলেমি করায় স্থানীয়দের মধ্যে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে।

সেতুর কাজ শেষ না হওয়ায় খোচাবাড়ী, রাঙ্গামাটি, ভাঙ্গামোড়, নগরাজপুর, ভেরভেরি, সুবারকুটি, চন্দন পাক, আরডিআরএস, তালুকদার পাড়া, সর্দ্দার পাড়া, হোলোখানা, লক্ষীকান্ত ও আবাসন প্রকল্প এলাকার ২০ থেকে ২৫ হাজার মানুষজনের যাতায়তে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

স্থানীয় নজির হোসেন, মনসুর আলী, মতিয়ার রহমান, ফারুক হোসেন ও আমিনুল ইসলাম জানান, বর্তমানে তারা অনেক কষ্ট করে ফসল সংগ্রহের সময় সেতু না থাকায় ছোট ছোট ভুড়া ও ড্রামের ভেলায় করে ঝুঁকি নিয়ে পারাপার করে থাকেন। অনেকে পানিতেও পড়ে যায় মাঝেমধ্যে।

স্থানীয় এনজিও কর্মি আমিনুল জানান, প্রায় ২০ থেকে ২৫ হাজার লোকজনের ছড়াটি পারপারে প্রভাব পড়ছে, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, ব্যবসা ও বিশেষ করে কৃষিকাজে।

মিশুক চালক আমিনুল ইসলাম জানান, বর্ষা আসলেই সেতুটি না থাকায় জীবন মরণের সমস্যা হয়ে যায়।

ভাঙ্গামোড় ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান লুৎফর রহমান বাবু জানান, ব্রীজটির নির্মাণ কাজ নির্ধারিত সময়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান শেষ না করায় জনদূর্ভোগ বেড়েই চলেছে। মজার ব্যাপার হলো আগে ঐ জায়গায় একটা সেতু ছিল, সেটা নষ্ট হওয়ায় ভেঙ্গে নতুন করে এই সেতুর কাজ হচ্ছে।

ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের পক্ষে কাজের তদারকিতে থাকা মিস্ত্রি আব্দুল হালিম ও মাইদুল ইসলাম জানান, যেভাবে ঠিকাদার কাজ করতে বলেন তারা সেভাবেই কাজ করেন। ব্রীজের কাজ করতে সময় লাগার কারণ তারা জানেন না।

উপজেলা প্রকৌশলী মামুনুর রহমান জানান, ব্রীজটি নির্মাণ স্থানে পানির কারণে কাজ করা যাচ্ছে না। তাছাড়া ব্রীজটির প্রাক্কলনের সময়ে ওই এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ও প্রতিরোধ বাঁধ দেওয়ার বাজেট না থাকায় ব্রীজটি নির্মাণে ধীরগতি ও সময় লাগছে। তবে শুষ্ক মৌসুমে কাজ শেষ করার আশা করা যায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর