শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৬:০১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
কুড়িগ্রামে হত্যা মামলার আসামীকে মানিকগঞ্জ থেকে গ্রেপ্তার করল র‍্যাব পাকিস্তানে অভিযানে ভারতীয় মদদপুষ্ট ২২ সন্ত্রাসী নিহত হরমুজ প্রণালিতে রাশিয়ার জন্য টোল-ফ্রি, সিদ্ধান্ত ইরানের পলাতক ১১ ডিআইজিসহ পুলিশের ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে বন্ধ বাংলাদেশের ৩২ বিদ্যুৎকেন্দ্র, চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াবে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেলেন চিলমারীর জাকির পাকিস্তানে তামা ও স্বর্ণ খনি প্রকল্পে সশস্ত্র হামলা, নিহত কমপক্ষে ১০ আমি ঝালমুড়ি খেলাম, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো টাইগাররা
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

দাখিলের ফলাফলে উলিপুরের এক মাদ্রাসায় শতভাগ ফেল, হতাশ অভিভাবকরা

প্রকাশের সময়: মঙ্গলবার, ১৫ জুলাই, ২০২৫


সংবাদদাতা, কুড়িগ্রাম:

সম্প্রতি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের ফলাফলে উলিপুরে এক মাদ্রাসার সবাই ফেল করেছে, ফলে অভিভাবকরা হতাশ হয়ে পড়েছেন।

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার রাজবল্লভ বালিকা দাখিল মাদ্রাসা থেকে এবারের দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থীও পাস করতে পারেনি। ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভ ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।

মাদ্রাসা সূত্রে জানা গেছে, দাখিল পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য এবারে ২০ জন শিক্ষার্থী রেজিস্ট্রেশন ও ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে ৫ জন অনুপস্থিত ছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক সলেও সত্যি যে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ নিয়ে ১৫ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে একজনও পাস করতে পারেনি। ১৫ জনের মধ্যে ১৩ জন গণিতে এবং ২ জন ইতিহাস বিষয়ে ফেল করেছে।

মাদ্রাসার সুপার আব্দুল মজিদ বলেন, ২০০৭ সালেও এ প্রতিষ্ঠান থেকে কেউ পাস করতে পারেনি। সে বছর ৭ জন পরীক্ষার্থীর ৭ জনই গণিতে ফেল করেছিল। ২০০৭ সালের পর থেকে মাদ্রাসার সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষক হাবিবুর রহমান নিয়মিত গণিত ক্লাস নিয়ে আসছিলেন। ফলে গণিতের সংকট আমরা অনেকটাই কাটিয়ে উঠেছিলাম। সুপার আরও বলেন, আমাদের মাদ্রাসায় রংপুরের পীরগাছা থেকে এনটিআরসি’র দশম ব্যাচের গণিতের শিক্ষক শারমিন আক্তার যোগদান করেন। তিনি গণিতে পারদর্শী নন। এ কারণেই রাজবল্লভ বালিকা দাখিল মাদ্রাসায় আবারও ফল বিপর্যয়ে আমাদেরকে অনেক ব্যথিত এবং বিব্রত করেছে।

এ বিষয়ে উলিপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবু সাঈদ মো. আব্দুল ওয়াহিদ বলেন,বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। শতভাগ ফেল (অকৃতকার্য) হওয়ার কারণ অনুসন্ধান করা হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর