শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
পাকিস্তানে অভিযানে ভারতীয় মদদপুষ্ট ২২ সন্ত্রাসী নিহত হরমুজ প্রণালিতে রাশিয়ার জন্য টোল-ফ্রি, সিদ্ধান্ত ইরানের পলাতক ১১ ডিআইজিসহ পুলিশের ১৩ কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে বন্ধ বাংলাদেশের ৩২ বিদ্যুৎকেন্দ্র, চাহিদা ১৮ হাজার মেগাওয়াট ছাড়াবে প্রতি কিলোমিটারে বাস ভাড়া বাড়ল ১১ পয়সা জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা প্রজন্মের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতির দায়িত্ব পেলেন চিলমারীর জাকির পাকিস্তানে তামা ও স্বর্ণ খনি প্রকল্পে সশস্ত্র হামলা, নিহত কমপক্ষে ১০ আমি ঝালমুড়ি খেলাম, আর ঝাল লাগল তৃণমূলের কিউইদের বিপক্ষে সিরিজ জিতলো টাইগাররা প্রধান শিক্ষকের ভুলে এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারলো না জান্নাতি
স্বাগতম:
বিশ্বের সবচেয়ে বিশ্বস্ত নিউজ পোর্টাল দৈনিক তোলপাড় পত্রিকায় প্রবেশ করার জন্য আপনাকে স্বাগতম।

কুড়িগ্রামে নৌকা ঘাটে অতিরিক্ত অর্থ আদায়, বন্ধের দাবিতে চরবাসীর মানববন্ধন

প্রকাশের সময়: শনিবার, ১২ জুলাই, ২০২৫

আতাউর রহমান বিপ্লব, কুড়িগ্রাম :

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর নৌকা ঘাটে অতিরিক্ত খাজনা আদায় বন্ধের দাবীতে চরবাসীর মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১২ জুলাই) বিকেলে সদরের যাত্রাপুর ইউনিয়নের যাত্রাপুর নৌকা ঘাটে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে চরের শত শত মানুষ অংশ নেয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, যাত্রাপুর হাটের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নজরুল আর্মি, যাত্রাপুর ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যান রহিমুদ্দিন হায়দার রিপন, ইউপি সদস্য আবু রায়হান, মাসুদ রানা, আব্দুস সালামসহ চরের অনেকে।

বক্তারা বলেন, চরের লাখো মানুষ এই যাত্রাপুর হাটে শনিবার ও মঙ্গলবার হাট করতে আসেন। এসব মানুষদের কাছ থেকে ঘাটের নির্ধারিত খাজনার চেয়েও অতিরিক্ত খাজনা আদায় করছে ঘাট ইজারাদার। এছাড়াও চরাঞ্চলের মানুষ কৃষি পন্য হাটে বিক্রি করতে আসলে খাজনা হিসেবে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়। ফলে চরাঞ্চলের মানুষ অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পরছে। তাই তারা অতিরিক্ত অর্থ আদায় বন্ধে প্রসাশনের দৃষ্টি কামনা করেন।

মানববন্ধনে চরের বাসিন্দা মাসুদ রানা বলেন, আমরা চরের ১ থেকে দেড় লক্ষ মানুষ শনিবার ও মঙ্গলবার হাটে আসি। কিছু বিক্রি করতে আসলেও চাঁদা দেওয়া লাগে। আবার কিছু কিনে নিয়ে গেলেও টাকা দেয়া লাগে। যার কারণে আমরা চরের মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। আমি চরবাসীর পক্ষ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায় বন্ধের জোড় দাবি করছি।

যাত্রাপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান রহিম উদ্দিন হায়দার রিপন বলেন, ঐতিহ্যবাহী যাত্রাপুর নৌকা ঘাটে চরের মানুষকে জিম্মি করে টাকা নিচ্ছে ঘাট ইজারাদার। ফলে ঘাট ইজারাদারের কাছে অসহায় হয়ে পড়েছে চরের হাজার হাজার মানুষ। তাই প্রশাসনের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া দাবি করছি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সাঈদা পারভীন জানান, ঘাটটি তো জেলা পরিষদের। তাদের সঙ্গে কথা বলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর
এক ক্লিকে বিভাগের খবর