সোমবার, ১৫ জুলাই ২০২৪, ০৩:০৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
‘বাবাকে ঘুমের ওষুধ খাইয়ে হত্যা করেছি’ বিলের পানিতে ভাসছে কাউন্সিলরের মরদেহ ইজিবাইক চালককে হত্যার দায়ে যুবকের মৃত্যুদণ্ড রাষ্ট্রপতির কাছে স্মারকলিপি জমা দিল কোটা আন্দোলনকারীরা একইদিনে বাংলাদেশে মুক্তি ‘পদাতিক’ ট্রাম্পের হামলাকারী কে এই যুবক? প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্ন, মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিরা পাবে না তো রাজাকারের নাতিরা পাবে? কারাগার ভেঙে পালানোর চেষ্টাকালে বন্দুকযুদ্ধ ,নিহত ৮ জঙ্গিবাদ থামিয়েছি, এখন দুর্নীতিবাজদের ধরছি জানিয়েছে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দেশের যেকোন দুর্যোগ মূহুর্তে র‌্যাব সবসময় বন্ধু হয়ে জনগণের পাশে দাঁড়িয়েছে কুড়িগ্রামে জানিয়েছে র‌্যাব মহাপরিচালক

পুতিনকে জমকালো আয়োজনে বরণ, নাখোশ চীন!

রিপোর্টারের নাম / ৩০ টাইম ভিউ
Update : বুধবার, ১৯ জুন, ২০২৪

লালগালিচা সংবর্ধনার মাধ্যমে জমকালো আয়োজনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনকে স্বাগত জানিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং–উন। এদিকে, পুতিনের উত্তর কোরিয়া সফরের বিষয়ে চীনের অবস্থান জানতে চাইলে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লিন জিয়ান বলেন, এটা শুধুই রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার দ্বিপক্ষীয় মতবিনিময়। এর চেয়ে বেশিকিছু বলতে রাজি হননি তিনি।-খবর তোলপাড় ।

বুধবার (১৯ জুন) পিয়ংইয়ংজুড়ে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে। এসময় পুতিনকে জড়িয়ে ধরে নিজেদের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের প্রতিশ্রুতির কথা জানিয়েছেন দু’জনে। কিম ইল সাং স্কয়ারে গার্ড অব অনার শেষে কিম ও পুতিন কুমসুসান প্যালেসে যান। সেখানে দুই নেতা বৈঠক করেন।

এদিন পুতিনকে বিমানবন্দরেই নিজে উপস্থিত থেকে অভ্যর্থনা জানিয়েছেন কিম জং উন। এরপর কিম ইল সুং স্কোয়ারে একটি স্বাগত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেয়া হয়েছে পুতিনকে। যেখানে একটি সামরিক ব্যান্ড এবং গণ সমন্বিত নৃত্য পরিবেশনের মাধ্যমে রুশ প্রেসিডেন্টকে সফরের আমন্ত্রণ জানায় উত্তর কোরিয়া। চলতি বছরের মধ্যে যা পুতিন-কিম জং উনের দ্বিতীয় বৈঠক।

অন্যদিকে, রাশিয়া এবং উত্তর কোরিয়ার সুসম্পর্ক নিয়ে সতর্ক চীনের বিষয়টি বার্তা সংস্থা রয়টার্সের সঙ্গে আলাপে ব্যাখ্যা করেছেন কারনেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের বিশ্লেষক টং ঝাও। তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে উত্তর কোরিয়ার সামরিক সহযোগিতা নিয়ে চীনের কিছু সমস্যা রয়েছে। কারণ এর ফলে পিয়ংইয়ংয়ের উপর ভূরাজনৈতিক বিষয়াবলীতে যে একক প্রভাব বিস্তার করে বেইজিং, সেটায় জং ধরতে পারে।

প্রসঙ্গত, প্রায় ২৪ বছর আগে ২০০০ সালের জুলাইয়ে পুতিন সবশেষ উত্তর কোরিয়া সফরে গিয়েছিলেন। এবার পুতিন এমন একসময়ে উত্তর কোরিয়া সফরে এসেছেন, যখন উভয় দেশই আন্তর্জাতিক অঙ্গন থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে, মোকাবিলা করতে হচ্ছে নানা নিষেধাজ্ঞা। শত্রু দেশ যুক্তরাষ্ট্রকে বিরক্ত করতে রাশিয়া অনেক সময় উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে নিজেদের উষ্ণ সম্পর্ককে ব্যবহার করে। যুক্তরাষ্ট্র উত্তর কোরিয়ার ওপর নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে রেখেছে।

এদিকে পিয়ংইয়ং মস্কোর কাছ থেকে রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়ার পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সহায়তার প্রতিশ্রুতিও পেয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও মিত্রদের আশঙ্কা উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও পরমাণু অস্ত্র প্রকল্পে রাশিয়া সহায়তা দেবে। এ বিষয়ে পিয়ংইয়ংয়ের ওপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর

এক ক্লিকে বিভাগের খবর